রোনাল্ডো-মেসি যুগের শেষে ব্যালন ডি’অরের দাবিদার মদ্রিচ

মস্কো: হ্যাঁ ঠিক এই দাবিই উঠছে ফুটবল বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে৷ রাশিয়াতে বিশ্বকাপ শুরুর আগে ক্রোয়েশিয়াকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে রাখেননি ফুটবল বোদ্ধারা৷ কিন্তু সব হিসেবনিকেস পালটে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে ক্রোয়েশিয়া৷ দলের এই অভাবনীয় সাফল্যের কৃতিত্ব অবশ্যই অধিনায়ক মদ্রিচের৷

ছবি- মদ্রিচের টুইটার থেকে নেওয়া

গ্রুপের প্রথম দুটি ম্যাচে নাইজেরিয়া এবং আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে দু’গোল করেছেন ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ডার৷ শক্ত পায়ে সামলেছেন ক্রোয়েশিয়ার মাঝ মাঠ৷ মেসি-রোনাল্ডো যেখানে নক-আউটের প্রথম লড়াই হেরে বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে বিদায় নিয়েছেন সেখানে মদ্রিচ এখনও আলো ছড়াচ্ছেন রাশিয়ার মাঠে৷ স্বাভাবিকভাবেই ব্যালন ডি’অর, গোল্ডেন বল মদ্রিচের হাতে উঠুক এবার এটাই চাইছেন ফ্যান থেকে সতীর্থ ফুটবলাররা৷

আরও পড়ুন: ফুটবল ম্যাচে নো মোর ‘শরীরি আবেদন’

- Advertisement -

সেমিফাইনাল ম্যাচে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তোলা মান্দজুকিচ অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড বলেন, ‘এখন মিডিয়ার যে প্রচার পাচ্ছে সেটা ও পাওয়ার যোগ্য৷ আশাকরি ভবিষ্যতে সংবাদমাধ্যম ওকে নিয়ে আরও মাতামাতি করবে৷ এই জায়গাটাতে আসার জন্য ও প্রচুর পরিশ্রম করেছে৷ মদ্রিচ আমাদের অধিনায়ক৷ ওর গোল্ডেন বল পাওয়া উচিৎ৷’

মদ্রিচের দলের আর এক সতীর্থ, ডিফেন্ডার দেজান লোভরেন বলেন, ‘মদ্রিচ মিডিয়ার কাছ থেকে এই মুহূর্তে যে টুকু প্রচার পাচ্ছে তার থেকে অনেক বেশি প্রচার ও পেত, যদি ও একজন জার্মান কিংবা স্প্যানিশ ফুটবলার হত৷ তাহলে ও হয়তো এতদিন ব্যালন ডি’অর জিতে নিত৷’

আরও পড়ুন: মেসি-রোনাল্ডো নেই, তবু বিশ্বকাপ ফাইনালে বার্সা-রিয়াল কানেকশন

গ্রুপ পর্ব থেকে টানা সবকটি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ক্রোয়েশিয়া৷ রবিবার মস্কোতে বিশ্বকাপ জয়ের লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে তারা৷ ক্রোয়েশিয়া শেষবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল দু’দশক আগে৷ ১৯৯৮ সালে আয়োজক ফ্রান্সের কাছে শেষ চারের লড়াইয়ে হেরে গিয়েছিল তারা৷ কাকতলীয়ভাবে এবার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ সেই ফ্রান্স৷ সুতরাং কুড়ি বছর আগে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ তৈরি ক্রোটদের সামনে৷

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান দখল করাই ছিল এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সেরা পারফরম্যান্স৷ সেই স্মরণীয় দিনটিও ছিল ১১ জুলাই৷ সেই কুড়ি বছর পর ১১ জুলাইয়েই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি ঘটল ক্রোয়েশিয়ার৷

আরও পড়ুন: ক্রোয়েশিয়ার কাছে লজ্জার হার আর্জেন্তিনার

Advertisement
---