২৮ বছর পর বিশ্বকাপের শেষ চারে ইংল্যান্ড

সামারা: প্রায় তিন দশক পর বিশ্বকাপের শেষ চারে পৌঁছল ইংল্যান্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপে শেষবারের জন্য সেমিফাইনালে উঠেছিল ব্রিটিশরা। শনিবার সুইডেনকে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল কেন অ্যান্ড কোং৷

প্রতি মুহূর্তের চমক তৈরি করা বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনকে ২-০ হারাল কেনব্রিগেড। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটেই ইংল্যান্ডের হয়ে গোলমুখ খোলেন হ্যারি মাগুইরি।

রাশিয়ার মাটিতে সুইডেন-ইংল্যান্ড লড়াইয়ের শুরুটা কিন্তু একদম ম্যাড়মেড়ে ছিল। দু’দলই গোল করা নয় বরং গোল বাঁচানোর চেষ্টায় করে যাচ্ছিল। তবে প্রথম আক্রমণ আসে ইংরেজদের পক্ষ থেকে। ১৯ মিনিটে গোল লক্ষ্য করে শট নেন ইংল্যান্ডে তারকা ফরোয়ার্ড হ্যারি কেন। কিন্তু বিশ্বকাপের এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রথম শটটি কিন্তু লক্ষভেদ করতে পারেনি।

- Advertisement -

কেন না পারলেও প্রথমার্ধেই সফল হন হ্যারি মাগুইর। অ্যাশলে ইয়ংয়ের পাশ থেকে হেডে দুরন্ত গোল করেন মাগুইর। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তবে প্রথমার্ধেই আরও দুটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল ইংল্যান্ডের কাছে। ৪৩ এবং ৪৪ মিনিটে পরপর দু’বার বল নিয়ে সুইডেনের গোলের সামনে পৌঁছেও গোল করতে ব্যর্থ থাকলেন রহিম স্টার্লিং। ৪৪ মিনিটে স্টার্লিং ডানদিকে দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবলারকে বল বাড়িয়ে দিলে সহজ গোল পেতে পারত ইংল্যান্ড। কিন্তু স্টার্লিংয়ের গোল করে নায়ক হওয়ার প্রচেষ্টায় গোল হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণে ফেরেন সুইডিশরা। ৪৮ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে হেড করেন সুইডিশ স্ট্রাইকার বার্গ। অনবদ্য দক্ষতায় বল রুখে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক। এইভাবে পুরো ম্যাচে বেশ কয়েকবার বিপক্ষের বল এবং ইংল্যান্ডের জালের মাঝে এসে দাঁড়ালেন জর্ডন পিকফোর্ড৷

সুইডিশরা সুযোগ হাতছাড়া করলেও ভুল করেননি ইংরেজ ফুটবলাররা। কোয়ার্টার ফাইনাল জিততে মরিয়া ইংল্যান্ড দ্বিতীয়ার্ধেও গোল ছিনিয়ে নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮ মিনিটে ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার ডেলে আলি হেডে বল সুইডেনের জালে জড়িয়ে দেন। জেসে লিংগার্ডের মাপা পাশ থেকে গোল করেন আলি। ২২ বছর বয়সি ইংলিশ ডিফেন্ডারের এটি বিশ্বকাপের প্রথম গোল। এর আগে ইউরো কাপে দেশের হয়ে গোল পেয়েছিলেন আলি।

পুরো ম্যাচ জুড়েই ইংল্যান্ডের কাছে গোল খাওয়ার পর জ্বলে উঠলেন সুইডিশ ফুটবলাররা। কিন্তু ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকের অনবদ্য সেভে কোনবারই গোলমুখ খোলার সুযোগ পাননি তারা। ৬১ মিনিটে সুইডিশ মিডফিল্ডার ভিক্টর ক্ল্যাসনের বিদ্যুৎ গতির শট রুখে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিকফোর্ড।

এর আগে ২০১২ ইউরো কাপে সুইডেনকে ৩-২ হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।

Advertisement ---
---
-----