বাটলারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভন

লন্ডন: খানিকটা অপ্রত্যাশিত ভাবেই সুযোগটা এসে গিয়েছিল তাঁর কাছে। ভারতের বিরুদ্ধে এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে মরিয়া ছিলেন ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জোস বাটলার। প্রথম দুটি টেস্টে সেভাবে রানের খাতা খুলতে না পারলেও ট্রেন্ট ব্রিজে তৃতীয় টেস্ট থেকে ইংল্যান্ড ব্যাটিং অর্ডারে ভরসা জোগাচ্ছেন ইংল্যান্ডের এই মারকুটে ব্যাটসম্যান।

বেয়ারস্টো আঙুলে চোট পাওয়ার কারয়ানে তৃতীয় টেস্ট থেকে গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনেও সমানভাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটেও বাটলারের সাম্প্রতিক ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন টেস্ট অধিনায়ক মাইকেল ভন।

আরও পড়ুন: নাওমি’র গ্র্যান্ড স্লাম জয়ে মিশে রইল বিতর্ক

চলতি ওভাল টেস্টের প্রথমদিন ভারতীয় বোলারদের দাপটে কোণঠাসা অবস্থায় শেষ করেছিল ইংল্যান্ড। সাত উইকেটে ১৯৮ রান থেকে দ্বিতীয়দিন দলকে টেনে তোলেন বাটলার। ক্রিস ব্রডকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ৯৮ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে ফের ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। বাটলারের ৮৯ রানের সেই ইনিংস দেখে যারপরনাই মুগ্ধ ভন।

ইংল্যান্ড উইকেটকিপারের এই ইনিংসকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক। তাঁর মতে, ‘বিশ্বের যেকোন প্রান্তে যেকোন বোলিং অ্যাটাকের বিরুদ্ধে ওঁ চালিয়ে খেলার ক্ষমতা রাখে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভনের আরও সংযোজন, ‘এই ফর্ম্যাটের ক্রিকেটে বাটলার যখন আরও অভ্যস্ত হয়ে উঠবে, তখন ব্যাটিং অর্ডারে ওঁর উপরে উঠে আসা উচিৎ।’

আরও পড়ুন: টপ-অর্ডার খুঁইয়ে শেষ টেস্টেও বিপাকে ভারত

ইংরেজ তারকা ক্রিকেটারের মতে, ‘সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে কিছু করে দেখানো বিশেষ সম্ভব না। তাই বাটলার ব্যাটিং অর্ডারে উপরে উঠে এলে আরও দামী ইনিংস উপহার পাওয়া যাবে ওঁর থেকে।’

সীমিত ওভারের পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটেও বাটলারের সাফল্যের রহস্য কী? ভন জানিয়েছে, মারকুটে প্রকৃতির হলেও ওঁ সব বল অ্যাটাক করতে যায় না। খুব সচেতন হয়ে খেলার উপর নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে।’ বাটলারের ব্যাটিং দক্ষতা এবং টাইমিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে ভন আরও বলেছেন, ইংল্যান্ড দুর্দান্ত একজন ক্রিকেটার আবিষ্কার করেছে। চাপ কমিয়ে যে ম্যাচের উপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে পারে।’

ভনের কথায়, ‘তিনটি ফর্ম্যাটেই ইংল্যান্ডের হয়ে বহুবার ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বাটলার। ও ক্রিজে নামলে নিশ্চিন্তে বসে থাকা যায়। চাপের মুহূর্তে ওঁর মারকুটে প্রবৃত্তিই বিপক্ষের পাল্টা চাপে ফেলে দেয় এবং ওঁ ধীরে ধীরে ম্যাচটাকে কব্জা করে নেয়।’

Advertisement
---
-----