দেশের সরকারি তেরঙ্গা তৈরি হয় একমাত্র এই গ্রামেই

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সমগ্র দেশ ব্যস্ত বিশেষতম দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতিতে৷ প্রত্যেক ভারতবাসীই এই দিনটিতে দেশের তেরঙ্গা হাতে নিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে চায় দেশ মাতৃকার কাছে৷ সেই জন্যই স্বাধীনতা দিবসের আগে বাজার ছেয়ে গিয়েছে ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের জাতীয় পতাকায়৷ কোনওটা কাগজের, তো কোনওটা সুতির,কোথাও আবার দেখতে পাওয়া যাবে সিল্কের তেরঙ্গা৷

কিন্তু অনেকেরই হয়ত অজানা যে কর্ণাটকের একটি প্রত্যন্ত গ্রামেই শুধুমাত্র তৈরি হয় ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের জাতীয় পতাকা৷ কর্ণাটকের ধারওয়াদ জেলার হুবলী শহরের কাছে বেঙ্গেরী গ্রামের ‘কর্ণাটক খাদি গ্রামোদ্যোগ সমুক্ত সংঘই’ হল জাতীয় পতাকার একমাত্র সরকারী প্রস্তুতকারক৷

flag-1

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, ভারতের ফ্ল্যাগ কোড ২০০২য়ের নিয়মানুযায়ী…

• জাতীয় পতাকা বানানের জন্য কেবলমাত্র খাদিই এবং সুতি, সিল্ক ও কাগজের দ্রব্যই ব্যবহার করা যাবে৷ আইনে বলা রয়েছে এই দ্রব্যগুলি ছাড়া অন্য যেকোনও কাঁচামাল দিয়ে তেরঙ্গা বানালে তা হবে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ৷

• ফ্ল্যাগ কোডে বলা হয়েছে, জাতীয় পতাকার মাপ হবে ৩:২ অনুপাতে এবং সরকারী নিয়মে নয় ধরনের তেরঙ্গা প্রস্তুত হয়ে থাকে৷

• দেশের সবচেয়ে বড়ো জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয় গোয়ালিয়র ফোর্ট, রায়গাদ ফোর্ট ও নালগোন্দ ফোর্টে৷

flag-2

• ভারতের জাতীয় পতাকা সাধারণত একটি ডেনিথের থেকে বেশি মজবুত হয়ে থাকে৷ যা নিশ্চিত করার আগে কমপক্ষে পনেরোবার যাচাই করা হয়ে থাকে৷ এমনকি বাদ পরে না পতাকার উপরে সেলাইও৷

• পতাকার মাঝের অশোক চক্র হয়ে থাকে নীল রঙের৷ প্রতিদিন ২০টি করে অশোক চক্র প্রিন্ট করা হয় এবং তারপরে তা শুকানো হয়ে থাকে৷

• কর্ণাটক খাদি গ্রামোদ্যোগ সমুক্ত সংঘে জাতীয় পতাকা তৈরির পুরো কাজটাই করে থাকে মহিলার৷ কাটাই, সেলাই,স্টিম করা ও ফোল্ড করা সমস্ত কাজই করে থাকে প্রায় ৫০ জন মহিলা মিলে একত্রে৷

flag-3

Advertisement ---
---
-----