অনেকেই এটা মনে করেন যে ভাগ্য না থাকলে কিছু হয় না, ভাগ্যই সবকিছু ঠিক করে রাখে৷ তাই একাংশ ভাগ্যকে মেনেও চলেন৷ বিশ্বাস করেন হাতের রেখাতেও৷ আর হাতের রেখার সঙ্গেই নাকি জড়়িয়ে ভাগ্যরেখা৷ যা জানতে পারলে অনেক রহস্যের দরজাও খুলে যায় চোখের সামনে৷

হস্তরেখা বিজ্ঞান অনুসারে, হাতে জীবনরেখার পাশ দিয়ে শনি পর্বত পর্যন্ত রেখাটি হল ভাগ্যরেখা৷ ভাগ্যরেখা যদি জীবনরেখাকে ছুঁয়ে শনি পর্বত পর্যন্ত যায় তাহলে জীবনে উন্নতির পথে অনেক সমস্যার আসে৷ সংঘর্ষ করে এগিয়ে যেতে হয়৷ ভাগ্যরেখা জীবনরেখা থেকে বেরিয়ে এলে পরিবারের সাহায্য না পাওয়া সেই ব্যক্তিকে জীবনে একাই এগিয়ে যেতে হয় তাকে৷

Advertisement

তবে জীবনরেখা, ভাগ্যরেখা থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চললে, সেই ব্যক্তি ভাগ্য তাঁর সঙ্গে চলে৷ অল্প পরিশ্রম করেই উন্নতি হাতের মুঠোয় চলে আসে৷ জীবনে আনন্দ থাকে৷

ভাগ্যরেখা জীবনরেখার থেকে দূরে থাকলেও যদি শুরুতে তা মোটা এবং পরে সরু হয়ে যায় তাহলে সেই ব্যক্তির জীবনে উন্নতি অবধারিত এবং সেইসঙ্গে সম্পত্তি লাভের যোগও থাকে৷

মস্তিষ্ক রেখা থেকে ভাগ্য রেখা বেরিয়ে এলে তা শুভ মনে করা হয়৷ এই ধরনের ব্যক্তি তার বুদ্ধি এবং জ্ঞানের জোরে অনেক উন্নতি করে৷

যাঁদের দুই হাতের ভাগ্যরেখা একই রকম তারা পৈতৃক ব্যবসা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে৷

ভাগ্যরেখা যদি মস্তিষ্ক রেখার কাছে এসে থেমে যায় তাহলে সেই ব্যক্তির সন্তানসুখে ব্যাঘাত ঘটতে পারে৷ পরবর্তীকালেও অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়৷

তবে এসব কিছুই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল৷ কর্মই যে পরবর্তী পথ ঠিক করে দেয় এ কথা বলাই বাহুল্য৷ তবে ভাগ্য যদি সঙ্গে থাকে তাহলে যে পথ মসৃণ হয়ে যায় এমনটা মনে করেন অনেকে৷

----
--