মুম্বই: এবার কূলভূষণ কান্ডে মুখ খুললেন পরিচালক মধুর ভান্ডারকর৷ মানবাধিকার কর্মী থেকে চলচ্চিত্র জগৎ কেন নিশ্চুপ এই বিষয়ে সেই নিয়েই বুধবার একটি ট্যুইট করেন তিনি৷ পাকিস্তানে কূলভূষণের মা এবং স্ত্রী-এর সঙ্গে যা হয়েছে সেই নিয়ে ক্ষুব্ধ পরিচালক ট্যুইটারে লেখেন…

প্রসঙ্গত, যাদবের মা এবং স্ত্রী ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন তার সঙ্গে দেখা করতে৷ প্রায় ৩০ মিনিট ধরে কথা বলার সুযোগ পান তাঁরা। পাক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে কাঁচের দেওয়ালের ভিতর থেকে দেখা করতে দেওয়া হয় কুলভূষণকে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, পাক বিদেশমন্ত্রক কার্যালয়ের বাইরে অপেক্ষারত সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ অবন্তী দেবীকে ‘কাতিল কি মা’ (খুনির মা) বলে চিৎকার করে ওঠে৷ কুলভূষণকেও তারা ‘খুনি’ বলে ডাকতে থাকে৷ অভিযোগ, কুলভূষণের মা ও স্ত্রীকে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে বসিয়ে রাখা হয়, যাতে তারা হেনস্থা হতে পারেন৷ গোটা ঘটনার পিছনে পাকিস্তানের কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে৷

পড়ুন: ‘সন্দেহজনক’ বলে কুলভূষণের স্ত্রী’র জুতো ফরেনসিকে পাঠাল পাকিস্তান

কূটনীতিকদের ধারণা, একদিকে কুলভূষণের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও মাকে দেখা করতে দিয়ে পাকিস্তান বিশ্বের কাছে মানবিকতার নজির গড়তে চেয়েছে৷ অন্যদিকে পাক মিডিয়ার কাছে অবন্তী দেবীকে ইচ্ছাকৃতভাবে হেনস্থা করিয়ে তাদের আসল চেহারা দেখিয়ে দিয়েছে৷ অভিযোগ, এমনকী পাক বিদেশমন্ত্রকের অফিসে তাদের কিছু খেতেও দেওয়া হয়নি৷

গোটা ঘটনায় কংগ্রেসের তরফ থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে৷ কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ বলেন, ‘‘অবন্তী দেবী ও কুলভূষণের স্ত্রী চেতনকুল যাদবকে শরীর থেকে গয়না, বিন্দি ও জুতো খুলতে বলা হয়৷ ওরা ভারতীয় মহিলাদের অপমান করেছে৷ তাদের অসম্মান করেছে৷ প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতিটি ভাষণে ভাই ও বোনের কথা বলেন৷ তাহলে তো কুলভূষণের স্ত্রীকে অপমান মানে মোদীর বোনকে অপমান করা৷ আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি৷ একই সঙ্গে কুলভূষণকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি৷’’

----
--