হোটেলে থাকার আগে ভালো করে জেনে নিন এই তথ্যগুলি

ঘুরতে ভালোবাসেন? তাহলে তো জানতেই হবে এই তথ্যগুলো৷ এরপর রীতিমতো ভয় পাবেন হোটেলে থাকতে৷ যখনই ফুরসত মেলে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বা পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পরেন অজানাকে জানার উদ্দেশ্যে? আর কোথাও গিয়ে সর্ব প্রথম তো একটা হোটেল প্রয়োজন পড়েই৷ আর যেই না হোটেলের রুম মিলল ব্যস সোজা গিয়ে বিছানায় ড্রাইভ৷ কিংবা ঘরের মধ্যে কফি মেশিন বা মিনিবার থাকলে এক পেয়ালা নিয়ে একটু গলা ভেজানো৷ নিদেন পক্ষে রিমোট হাতড়ে টিভিতে চোখ তো সকলেই রাখেন৷ তবে কখনও কি ভেবে দেখেছেন, টিভির রিমোট কনট্রোলে টয়লেট সিটের থেকেও বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে? যদি না ভাবেন, তাহলে এবার একবার ভাবুন৷

আপাত দৃষ্টিতে হোটেলের বিছানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখতে লাগলেও সেই ঘরেই থাকতে পারে বিস্তর ময়লা৷ সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে৷ সেই গবেষণায় জানা গিয়েছে, টিভির রিমোট বা বিছানার পাশে থাকা লাইট এমনকি পাখার সুইচে বাথরুমের ফ্লোরের থেকেও বেশি জীবাণু থাকতে পারে। কারণ এই সব জিনিস প্রায় কখনই পরিষ্কার করা হয় না। ফলে সেখানে বছরের পর বছর ধরে জমতে শুরু করে নোংরা৷ কি ভাবছেন তো আগে এগুলো আপনি ভাবেননি? তবে এবার ভাবুন৷ কোথাও হাত দেওয়ার আগে অন্তত একবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতে লাগিয়ে নিন৷

এরই পাশাপাশি হোটেলের ঘরে রাখা গ্লাসে জল খাওয়া অনেক সময় সুখকর নাও হতে পারে। অনেক সময়ই গ্লাসগুলো স্রেফ জলে ধুয়ে রেখে দেওয়া হয়। কে বলতে পারে, আগে যিনি ওই গ্লাসে জল পান করেছিলেন, তার কোনও রোগ ছিল কিনা। ফলে এই রকম মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিকের গ্লাস দিয়ে যেতে বলুন৷ এতে বিপদ খানিকটা হলেও কম।

একই রকম ভাবে চাদর বা কম্বলের মধ্যে ঢোকার আগে একটু ভালো করে দেখে নিন৷ ছোট বাচ্চা নিয়ে যাঁরা ভ্রমণ করেন, তাদের ন্যাপিও পাল্টানো হয় ওই একই বিছানায়। ফলে শোয়ার আগে একটু দেখে নিন। আর অবশ্যই কম্বল বা চাদর ভালো করে পরীক্ষা করে নেবেন৷

শৌখিন ভ্রমণার্থীরা অনেক সময় নিজেদের বেশ কিছু জিনিস এমনকি খাওয়ার-দাওয়ারও সঙ্গে নিয়ে ঘোরেন। যে হোটেলে থাকছেন, সেখানে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে নিন, সেগুলো হোটেলের মধ্যে ব্যবহার করা যাবে কিনা। না হলে পকেট বেশ খানিকটা হাল্কা হতে পারে। সব শেষে, অনেক ভ্রমণার্থীরা হোটেল থেকে চেকআউট করার সময় এটা-সেটা ব্যাগে পুরে নেন। তবে কখনওই এমনটা করা উচিৎ নয়৷ যদি কোনও ভাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানতে পারে সম্মানহানি তো হবেনই, সঙ্গে থানা পুলিশের চক্করেও পড়ে যেতে পারেন৷

---- -----