নয়াদিল্লি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ রাজনৈতিক ভাবে দুই মেরুর বাসিন্দা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিকে মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার থেকে উৎখাত করতে তৎপর৷ অন্যদিকে বাংলায় এলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় মুখর হন মোদী৷

এই পরিস্থিতিতে উপরের শিরোনামটি পড়ে মনেই হতে পারে, তাহলে এমন কী হল যে নরেন্দ্র মোদী মমতার নির্দেশ মেনে চলছেন৷ আর এমনটা হলে, কেনই বা তিনি মেনে চলছেন?

Advertisement

আরও পড়ুন: পেটিএম ব্যবহার করেন? আপনার জন্য ব্যাপক ছাড়ের সুযোগ

আরও পড়ুন: ‘‘Sorry Comrade! আপনার প্রতি Justice করতে পারলাম না …’’

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’৷ পথ নিরাপত্তার পাঠ দিতে এই প্রকল্পের সূচনা করেছেন তিনি৷ এ নিয়ে প্রশাসনের সর্বস্তরের তরফে প্রচার করা হয়৷ সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়৷

কিন্তু তার পরও বহু মানুষ সচেতন নন বলে অভিযোগ ওঠে বারবার৷ হেলমেট ছাড়া বাইক আরোহী হামেশাই চোখে পড়ে৷ এমনকী অনেককে সিটবেল্ট ছাড়াই গাড়ি চালাতে দেখা যায়৷ ফলে বাংলাতেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে বারবার৷

আর এখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র তরফে প্রকাশ করা একটি ভিডিও৷ তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে পথ নিরাপত্তা নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যে নির্দেশ দেন, তা বাংলার বাসিন্দারা না মানলেও অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের এই স্কুলে শোনা যায় জয় শ্রী রাম ধ্বনি

পিআইবির তরফে ট্যুইট করে যে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে, তাতে দেখা হচ্ছে, একটি অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের গাড়িতে উঠলেন৷ তার পর সেটি চড়ে বেরিয়ে গেলেন৷ তবে গাড়ি ছাড়ার আগে বেঁধে নিলেন সিট বেল্টটি৷ পথ নিরাপত্তার যার গুরুত্ব অপরিসীম৷

আর তা আন্দাজ করেই ট্যুইটে দু’লাইন লিখেও দেওয়া হয়েছে পিআইবি-র তরফে৷ যা বাংলায় তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘‘গাড়িতে উঠেই প্রধানমন্ত্রী নিজের সিট বেল্টটি বেঁধে নেন৷ আপনি কী অজুহাত দেবেন?’’

ভিডিওটি মোদী-ভক্তের কতটা অনুপ্রাণিত করবে, সেই উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে৷ কিন্তু তার আগেই পথে নেমে পড়েছেন নিন্দুকেরা৷ তাঁরা বলছেন, পথ নিরাপত্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নির্দেশ দেন, তা সঠিক ভাবে উপলব্ধি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ তাই তিনি ওই ‘নির্দেশ’ মেনে চলেন৷

আরও পড়ুন: ডোকালাম অতীত! ভারতে আসছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী

----
--