বিপ্লব দেবের হাঁসের মন্তব্যে রয়েছে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ

আগরতলা: একদিকে যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের অক্সিজেন মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে, অন্যদিকে সেখানেই এই বিষয়টির সমর্থনে মুখ খুললেন ত্রিপুরার মৎস্যবিভাগের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রামেশ্বর দাস৷ তিনি স্পষ্টই জানান, জলে পাখির উপস্থিতির অনেকে সুফল রয়েছে৷

এএনআই-এর খবর অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনের বিজ্ঞানী এ দেববর্মা জানান, হাঁস-মাছ একটি ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং৷ হাঁসের মল মাছের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে৷ শুধু তাই নয়, হাঁস জলে অক্সিজেন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে যা গবেষণায় প্রমাণিত৷

পড়ুন: ‘জলে অক্সিজেন বাড়ায় হাঁস, ফলে বাড়ে মাছের সংখ্যা’

- Advertisement -

ত্রিপুরার রুদ্রসাগরে ঐতিহ্যবাহী একটি নৌকা প্রতিযোগিতায় গিয়ে সোমবার বিকেলে হাঁস নিয়ে একটি মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন ছোট ছোট বাচ্চারাও হাঁসের কাছ থেকে উপকার পায়৷ প্রতিটি পরিবারের কাছে হাঁস আশীর্বাদ৷ প্রোটিম ভিটামিনের আঁতুড়ঘর নাকি হাঁস৷ হাঁস পালন প্রতিটি বাড়িতে আগে দেখা যেত৷ কিন্তু গত ২৫ বছরে সেই সংস্কৃতি আর নেই৷

তিনি এও ঘোষণা করেন যে মাছচাষ বাড়াতে তিনি মৎস্যজীবীদের ৫০ হাজার সাদা ক্ষুদে হাঁস উপহার দেবেন৷ শুধু জলে অক্সিজেন বাড়ানোই নয়, হাঁস নাকি যখন সাঁতার কাটে, তখন জল পরিশোধনও করে! তিনি আরও বলেন, হাঁসের জন্য মাছচাষে সুবিধা হয়৷ মাছের বংশবৃদ্ধিও নাকি তাতেই হয়৷ তিনি বলেছেন হাঁস যখন জলে সাঁতার কাটে, তখন জলের অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে৷ বেশি অক্সিজেন পেয়ে মাছের সংখ্যাও বাড়ে!

স্বভাবতই মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷ ফের শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক৷ তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে সমর্থনও করেন অনেকে৷

Advertisement
---