জঙ্গিদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই করতে সক্ষম বায়ুসেনার ‘গরুড় বাহিনী’

সম্প্রতি কাশ্মীরের বান্দিপোরায় এনকাউন্টারে শহিদ হয়েছেন বায়ুসেনার স্পেশাল ফোর্সের দুই গরুড় কমান্ডোর। সার্জেন্ট কে মিলিন্দ ও করপোরাল নীলেশ কুমার নয়ন শহিদ হন বান্দিপোরার হাজিন গ্রামে। তবে বায়ুসেনার এই স্পেশাল ফোর্স আসলে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে শত্রুদের জন্য, তা অনেকেই জানেন না।

জেনে নিন ‘গরুড় কমান্ডো’ সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য:

১. ২০০৪-এ সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালাতে ‘গরুড়’ কমান্ডো ফোর্স তৈরি করে বায়ুসেনা। ২০০০ সালে বায়ুসেনার অবন্তীপুর ঘাঁটিতে হামলা চালাতে আসে চার জঙ্গি। যাদের সঙ্গে ছিল কালাশনিকোভ ও গ্রেনেড। এরপরেই এই স্পেশাল ফোর্স গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২. ২০১৭-র অগাস্ট থেকে কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে অপারেশন চালাতে মোতায়েন করা হয় এক বিশেষ বাহিনীকে। এর মধ্যেই দুই কমান্ডোর মৃত্যু হয় সম্প্রতি। কাশ্মীরে জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে এই প্রথম শহিদ হল কোনও গরুড় কমান্ডো।

৩. প্রথম গরুড় কমান্ডো হিসেবে শহিদ হন করপোরাল গুরুসেবক সিং। ২০১৬-র পাঠানকোট হামলায় লড়াই করতে গিয়ে প্রাণ হারান তিনি। পাঠানকোট হামলার পর গারুদ কমান্ডোকে আরও বেশি গুরুত্ব দেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

৪. বায়ুসেনার গরুড় কমান্ডো বাহিনীতে রয়েছে ১০০০ সেনা জওয়ান। যারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব এয়ার ফোর্স বেসগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। বাহিনীর বহর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। বায়ুসেনার পরিকল্পনা অনুযায়ী গরুড়ের আরও ১০টি ইউনিট যুক্ত করা হবে, যার প্রত্যেকটিতে থাকবে ৭০ থেকে ৮০ জন করে কমান্ডো।

৫. গরুড় কমান্ডো বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে। যার মধ্যে রয়েছে গ্লক পিস্তল, তাভোর TAR-21 অ্যাসল্ট রাইফেল, গলিল স্নাইপার রাইফেল ও নেগেভ মেশিন গান। পণবন্দিদের উদ্ধার থেকে শুরু করে শত্রুদের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই করার বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এদের।

Advertisement
---
-----