বীরাপ্পনকে খতম করা এই আইপিএসকেই উপত্যকায় পাঠাচ্ছে মোদী সরকার

শ্রীনগর: উপত্যকায় মেহবুবা মুফতির সরকার পড়ে যাওয়ার পরে সেখানে রাজ্যপাল শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই৷ রাজ্যপাল এন.এন ভোরা রয়েছেন দায়িত্বে৷ বুধবার তিনি বৈঠকেও বসেন৷ সেনার অপারেশনে কিভাবে আরও গতি আনা যায় সেই নিয়েও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷

এর পাশাপাশি রাজ্যে প্রশাসনিক পদেও হেরফের হয়েছে৷ ছত্তিশগড়ে সিনিয়র আইএএস বিবিআর সুব্রহ্ম্যণমকে রাজ্যের মুখ্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়৷ এছাড়া রাজ্যপালের উপদেষ্টা হিসেবে আইপিএস বিজয় কুমারকে নিযুক্ত করা হয়েছে৷

পড়ুন: বরফের চাদরে যোগাসনের চ্যালেঞ্জ ভারতীয় সেনার

কে এই বিজয়কুমার?
একসময় কুখ্যাত চন্দন দস্যু বীরাপ্পনের নামে দক্ষিণ ভারতের জঙ্গলে ভীত সন্ত্রস্ত ছিল৷ তাঁর আসল নাম কুজ মুনিস্বামী বীরাপ্পন৷ চন্দন এবং হাতির দাঁত চুরি এবং বেশ য়েকজন পুলিশকর্মীর মৃত্যুর দায় ছিল তার কাঁধে৷ এই বীরাপ্পনকে ধরতে সরকার প্রায় ২০কোটি টাকা খরচ করেছিল৷ এই দস্যুর নাগাল পেতে তিন রাজ্যের পুলিশকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছিল৷ কিন্তু আইপিএস বিজয় কুমারের নেতৃত্বে অপারেশন কোকুন পরিচালনা করা হয়৷ আর তাতেই ২০০৪ সালের ১৮ অক্টোবর খতম হয় বীরাপ্পন৷ এবং আইপিএস অফিসার এর ওপর একটি বইও লিখেছিলেন৷

-১৯৭৫ সালে তামিলনাড়ুতে আইপিএস হওয়ার পর স্পেশাল সিকিওরিটি গ্রুপে কাজ করেন বিজয়কুমার৷
– স্পেসাল টাস্ক ফোর্সে যুক্ত হওয়ার পর তাঁকে বীরাপ্পনকে খতম করার দায়িত্ব দেওয়া হয়৷
– এরপর বহু বছর বীরাপ্পনের খোঁজ চলার পর তিনি কোকুন অপারেশনে নেতৃত্ব দেন৷
– বিজয়কুমার একটি মন্দিরে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যতক্ষণ না এই দস্যুকে তিনি ধরতে পারছেন ততক্ষণ চুল কাটবেননা৷
– ২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর তামিলনাড়ুর ধরমপুরী জঙ্গলে এনকাউন্টারে বীরাপ্পনকে খতম করেন তিনি৷
– বীরাপ্পনের ওপর তিনি একটি বইও লেখেন, যেখানে বীরাপ্পনের ছোটবেলা থেকে তার দস্যু হয়ে ওঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে৷

---- -----