ছবি- প্রতিকি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে পুলিশের জালে উঠে এল খাদ্যরসিক চার নাবালক চোর৷ ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, তারা এর আগেও এটিএম লুট কিংবা লুটের চেষ্টা করেছিল কি না৷ ধৃতদের নামে পুরনো কোনও অপরাধের ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পাটুলির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে এটিএম লুটের চেষ্টা হয়৷ কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে চোরের দল এটিএমের উলটো দিকে থাকা একটি বন্ধ মুরগির দোকানের খাঁচা ভেঙে বেশ কয়েকটি মুরগি চুরে করে পালায়৷

মঙ্গলবার ভোরের আলো ফুটতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়৷ খবর পেয়ে ছুটে আসেন দোকান মালিক সুব্রত মণ্ডল৷ দেখেন, দোকান লণ্ডভণ্ড। মুরগির খাঁচার তালা ভেঙে চোরের দল গায়েব করে ফেলেছে বেশ কয়েকটি মুরগি।

ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি খতিয়ে দেখে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, প্রথমে এটিএম লুটের চেষ্টা করা হয়েছিল৷ তা না পেরেই চোরের দল ওই মুরগির দোকানে হানা দেয়৷ ব্যাংকের এটিএমের সিসিটিভি খতিয়ে দেখার পরই পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকড়াও করে চার নাবালককে৷ এক তদন্তকারীর কথায়, ‘‘এটিএম থেকে টাকা লুট করতে এসে কেউ মুরগি চুরি করে! প্রথম থেকেই আমাদের মনে হয়েছিল দলটি অনভিজ্ঞ৷ সিসিটিভি খতিয়ে দেখার পর চার নাবালককে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ ধৃতদের জেরা করে জানার চেষ্টা চলছে চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না৷’’

লালবাজার সূত্রের খবর, পাটুলি এলাকায় এর আগেও এটিএম লুটের চেষ্টা হয়েছিল৷ ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানোর বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে৷

----
--