অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ফ্রান্সের

কাজান: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করল ফ্রান্স। কাজান স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ১৯৯৮-এর বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ফ্রান্সের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেড তারকা পল পোগবা। প্রথম গোলটি আসে পেনাল্টি থেকে৷ গোল করেন ফরাসি তারকা গ্রিজম্যান৷

শনিবার ম্যাচের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি দিদিয়ের দেশঁর দলের। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন গ্রিজম্যানরা। ভারে কম অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইকাররা বেশ কয়েকবার ফরাসি ডিফেন্স ভেদ করে ঢুকে পরে ডি-বক্সে। তবে অধিনায়ক হুগো লরিসের গ্লাভস বেশ কয়েকবার বাঁচিয়ে দেয় ফ্রান্সকে। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবেই শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে দুই দলই আক্রমণ ও পালটা আক্রমণে যায়। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে অজি ডিফেন্ডার জোশ রিডসন নিজেদের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন গ্রিজম্যানকে। রেফারি প্রথমে আন্দ্রে কুনহা ফাউল না-দিয়ে খেলা চালিয়ে যান। পরে তিনি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির ব্যবহার করেন রেফারি। সেখানে স্পষ্ট দেখা যায় অজি ডিফেন্ডারের পা লেগে পরে গিয়েছেন গ্রিজম্যান। পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান রেফারি। সুযোগ সদ্ব্যবহার করেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ৫৮ মিনিটে এক গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এই গোলটি বিশ্বকাপে ফরাসি স্ট্রাইকারের প্রথম গোল। তবে দেশের হয়ে তাঁর গোল সংখ্যা ২১টি।

তবে ব্যবধান বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারেনি ফ্রান্স। অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার ময়িসের নেওয়া ফ্রি-কিক বলে ইচ্ছাকৃতভাবে হাত ঠেকান ফ্রান্সের উমতিতি। পেনাল্টি বক্সে হ্যান্ড বলের জন্য অস্ট্রেলিয়াকে পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি রেফারি। ৬২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলকে সমতায় ফেরান অজি অধিনায়ক মিলে জেডিনাক।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে দেশম তুলে নেন গ্রিজম্যানকে। পরিবর্ত হিসাবে নামান আরও এক স্ট্রাইকার জিরুডকে। এরপরে ম্যাচে ফেরার জন্য একের পর এক আক্রমন চালায় ফ্রান্স। সেখান থেকেই ৮০ মিনিটে চিপ করে অস্ট্রেলিয়ার জালে বল জড়ান পল পোগবা। বল বারের তলার অংশে লেগে বাইরে চলে আসে। তবে রেফারি ফ্রান্সের পক্ষে গোলের সিদ্ধান্ত জানান। গোল লাইন টেকনোলজিতেও দেখা যায় বল গোল লাইন পেরিয়ে গিয়েছে।

এই গোলেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের। ফ্রান্সের পরের ম্যাচ পেরুর বিরুদ্ধে।

----
-----