যোধপুর: ভারতে এসে ‘তেজস’ এয়ারক্রাফট ওড়ালেন ফরাসি এয়ার ফোর্সের চিফ জেনারেল অ্যান্দ্রে লানাতে। যোধপুর এয়ারফোর্স স্টেশন থেকে তিনি উড়িয়েছেন ভারতে তৈরি এই লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট। তিনি দ্বিতীয় কোনও দেশের সেনাপ্রধান, যিনি তেজস ওড়ালেন। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি এই তেজস ওড়ান মার্কিন এয়ারফোর্স চিফ জেনারেল ডেভিড এল গোল্ডফেন।

ভারতীয় বায়ুসেনার তরফ থেকে একটি ট্যুইটে বলা হয়েছে, ‘সৌজন্যমূলক সফরে ভারতে এসে ‘Made in India’-য় তৈরি তেজস এয়ারক্রাফট ওড়ালেন ফ্রেঞ্চ এয়ার ফোর্স চিফ জেনারেল অ্যান্দ্রে লানাতে।

Advertisement

অন্যদিকে, ভারতের তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, এমন দেশে ঘরের মাটিতে তৈরি তেজস বিক্রি করবে ভারত। এই বিষয়ে শুরু হয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনাও।

বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনাকে বছরে আটটি করে LCA দেওয়ার কথা HAL-এর। সেটা বাড়িয়ে বছরে ১৬টি এয়ারক্রাফট প্রোডাকশনের চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, তেজসের অনেক উপাদান বিদেশ থেকে আসে। কিন্তু তেজস সম্পূর্ণভাবে দেশেই তৈরি হয়। মোট ৩৪৪টি LRU (Line Replaceable Units)-র মধ্যে ১২০টি তৈরি হয় ভারতে, বাকিগুলো বিদেশ থেকে আসে।

আকাশপথেই যাতে তেজসে জ্বালানি ভরা যায় তার জন্য সব থেকে জটিল প্রযুক্তি এবার সংযোজিত হতে চলেছে এই যুদ্ধবিমানে৷ গোটা প্রক্রিয়াটাই চলছে হ্যালে (HAL)৷ জ্বালানি ভরার জন্য তেজসে লাগানো হচ্ছে একটি বিশেষ পাইপ৷ যার সঙ্গে আকাশপথেই সংযুক্ত হবে জ্বালানি বিমানের তেল সরবরাহের চ্যানেলটি৷

জানা গিয়েছে, এই বিশেষ পাইপটি আনা হয়েছে ব্রিটেন থেকে৷ সেখানকার একটি সংস্থা এই পাইপটির নির্মাতা৷ কিন্তু সেটিকে তেজসে লাগিয়ে ঠিকমতো সক্রিয় করার যাবতীয় ভার পড়েছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের উপর। হ্যালের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, একবার এই চ্যানেল বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই উড়ান পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে তেজস৷

----
--