শুধু রূপচর্চা করলেই হবে না, দীপ্তিময় ত্বকের জন্য চাই পুষ্টিকর খাবার। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এরকম বেশ কয়েকটি সবজি ও ফল রয়েছে৷ সেগুলিই সাহায্য করে ত্বক সুন্দর করে তুলতে৷
আমলকী: সকালে খালি পেটে আমলকী খান। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় এটা ত্বক টানটান রাখতে ও দীপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

আপেল: আপেল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, এটা ত্বকের কাঠিন্য দূর করে এবং ত্বকের মৌলিক ক্ষতি পূরণ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটা আপেল অথবা এর জুস পান করুন।

বিটরুট: অ্যান্থোসায়ানিন্স সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটরুটে পাওয়া যায় যা বলিরেখার বিরুদ্ধে কাজ করে। চাইলে বিটরুট সিদ্ধ করে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত পানে গালের দুপাশে উজ্জ্বলতা ফুটে উঠবে।

গাজর: গাজরে আছে বেটা ক্যারোটিন যা শরীরে ভিটামিন এ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। এটা ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করতে সহায়তা করে।

লেবু: ব্রণ, দাগ ও ব্ল্যাকহেডস প্রতিরোধে কাজ করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

মিষ্টি কুমড়ার বীজ: মিষ্টি কুমড়ার বীজে আছে জিঙ্ক, এটা নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। এই বীজ ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। ভালো ফলাফলের জন্য মুঠোভরে মিষ্টি কুমড়ার বীজ খান।

পালংশাক: পালংশাক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, এটা ত্বকের কোষকে দৃঢ় করে এবং বিষাক্ত উপাদান বের করে দেয়। ফলে ত্বক পরিষ্কার দেখায়।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে আছে ত্বকের রং হালকা করার ক্ষমতা। এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ভাব আনে। স্ট্রবেরির স্মুদি অথবা পেস্ট তৈরি করে দই ও মধু মিলিয়ে মুখের ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

মিষ্টি আলু: অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি উপাদান সমৃদ্ধ। আর আছে ভিটামিন এ এবং সি। অল্প নুন দিয়ে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে নিন। এরপর এতে গোলমরিচ, লেবুর রস মিশে খান। এটা একটা আদর্শ বিকালের জলখাবার হতে পারে।

টমেটো: রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যাসিডিক উপাদান। এটা ত্বকের লোমকূপ টান টান করতে এবং ব্রণ ও অন্যান্য ক্ষতি দূর করতে সাহায্য করে। এর লাইকোপেইন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বার্ধক্য প্রতিরোধে কাজ করে। তাছাড়া রোদপোড়া-ভাব কমায় এবং ত্বক ঝুলে পড়া প্রতিরোধ করে৷

----
--