উত্তরপ্রদেশ: জিন্না বিতর্কে ‘আখের স্বাদ নোনতা’ বিজেপির

লখনউ: দেশের আখ চাষীদের বড় অংশই মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন বিজেপির দিক থেকে৷ পরপর কয়েকটি উপনির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে যেভাবে হারল পদ্ম দল তাতে তাদের কাছে আখের স্বাদ আর মিষ্টি বলে মনে হচ্ছে না৷ বরং সুমিষ্ট আখ এখন বড়ই নোনতা৷

বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ৪টি লোকসভা ও ১০টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের শুরু থেকেই বিজেপি শিবির ঝিমিয়ে পড়তে থাকে৷ বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে কৈরানা লোকসভা কেন্দ্র হারানোর পর তাদের হাসি মুছে গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন আরএলডি প্রার্থী৷ কৈরানা রাজ্যের অন্যতম কৃষি এলাকা৷ মূলত আখ চাষের জন্য পরিচিত৷ ফলে নির্বাচনের ইস্যু ছিল আখ চাষিদের দুরাবস্থা৷ লাগাতার বিদ্যুৎ বিল বাড়তে থাকায় চাষিরা ক্ষুব্ধ৷ লাগাতার ধরনা ও বিক্ষোভ চলছে৷ মনে করা হচ্ছে, সেই আখ বিতর্ক বিজেপির ভোট ব্যাংকে বড়সড় ধস নামিয়ে দিল৷

কৈরানা লোকসভা ও নুরপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের আগে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ কার্যালয়ে থাকা মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি সরানোর দাবি তোলে বিজেপি ও তার শাখা সংগঠনগুলি৷ তাদের সঙ্গে গলা মেলায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলিও৷ এতে বিশ্বদ্যালয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ বিরোধীদের তরফে অভিযোগ ওঠে, ‘গন্না'(আখ) সমস্যা থেকে মুখ ঘুরিয়ে দিতেই বিজেপি অহেতুক ‘জিন্না’-কে ইস্যু করেছে৷ কারণ আগেও বিজেপি উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে, দেশের ক্ষমতায় ছিল কখনো এমন বিতর্ক হয়নি৷

- Advertisement -

ফলে উপনির্বাচনের আগে ‘জিন্না’ বনাম ‘গন্না’ (আখ) লড়াই হয়ে যায় মূল ইস্যু৷ প্রচারে এসে আরএলডি নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন, জিন্না নয় বরং গন্না (আখ) সমস্যা মেটানো তাদের প্রধান দাবি৷ পাল্টা প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, জিন্নার থেকেও গন্না সমস্যা তাঁর কাছে চিন্তার৷ তবে জিন্নাকেও চাই না৷ তবে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জিন্নার ছবি সরানো নিয়ে অনড় ভাব দেখানো হয়৷ তাদের দাবি, মহমম্দ আলি জিন্না হতেই পারেন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল৷ কিন্তু

Advertisement
---