শহিদের মেয়ের দায়িত্ব নিলেন গম্ভীর

নয়াদিল্লি: অনন্তনাগে নিহত এএসআই আব্দুল রশিদের পরিবারকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন কেকেআর অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর৷ নিহত এসএসআই-এর পাঁচ বছরের মেয়ে জোহরা’র সারাজীবনের পড়াশোনার খরচের দায়িত্ব তুলে নিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের জিজি৷ জোহরা’র পড়াশোনার দায়িত্ব দেখভাল করবে গৌতম গম্ভীর ফাউন্ডেশন৷

- Advertisement DFP -

আরও পড়ুন: সোনাজয়ী বক্সারকে অর্থ সাহায্য গম্ভীরের

গত মাসে অর্থাৎ ২৮ অগস্ট দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার মেহেন্দি কাদাল এলাকায় জঙ্গির গুলিতে গুরুতর আহত হন এএসআই আব্দুল রশিদ৷ পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়৷ ডিউটি করার সময় রশিদের হাতে ছিল না কোনও অস্ত্র৷ ফলে নিরস্ত্র অবস্থায় জঙ্গির গুলি হজম করতে হয় এএসআই রশিদকে৷

ভিডিও-তে দেখুন গম্ভীরের সাহায্যের পর কি বললেন জোহরা…

মৃত্যুর পর তাঁর মেয়ের কান্নার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়৷ তাঁর মেয়ের মতো জোহরা’র কান্নায় ব্যতীত হন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন বাঁ-হাতি ওপেনার৷ তাই শহীদ পরিবার কন্যার সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিলেন গম্ভীর৷ মঙ্গলবার তিনি জানিয়ে দেন জোহরার পড়াশোনার দায়িত্ব নেবে তাঁর চ্যারিটি গৌতম গম্ভীর ফাউন্ডেশন৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় গোতি তা পোস্ট করে জানান৷ টুইটারে গম্ভীর লিখেছেন,‘জোহরা,আমি তোমার লুল্লাবাই-এর মতো তোমার সঙ্গে ঘুমোতে পারবো না৷ কিন্তু তোমার স্বপ্নপূরণ করতে আমি সাহায্য করব৷ আমি তোমার সারাজীবন শিক্ষার ভার নিতে রাজি৷’

আরও পড়ুন: শহিদদের সন্তানের শিক্ষার দায়িত্বে গম্ভীর

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে সুকমায় মাওবাদী হামলায় শহিদ সিআরপিএফ জওয়ানদের পরিবারকে সাহায্য করেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন স্টপ-গ্যাপ অধিনায়ক৷ শহিদ পরিবারের ২৫ জন ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচের দায়িত্ব তিনি তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে৷ শুধু কি তাই! কয়েকদিন আগে ‘এক আশা’ নামে এক সংস্থা খুলেছেন গোতি৷ এই সংস্থা ৩৬৫ দিন দিনই গরীবদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিচ্ছে৷ এছাড়া এশিয়াডে সোনাজয়ী ক্রীড়াবিদ ডিঙ্কো সিং ক্যান্সারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারছিলেন না৷ তাঁর সেই দুঃসময়ে পাশে দাঁডিয়েছেন গম্ভীর৷ অর্থাৎ টিম ইন্ডিয়ার থেকে বাদ পড়ার পর বাইশ গজে লড়াইয়ের পাশাপাশি সমাজের অন্যদের লড়াইয়ে নিজেকে সামিল করেন নাইট অধিনায়ক৷

বড় হয়ে ডাক্তার হতে চান শহিদ কন্যা৷ গম্ভীরকে তাঁর সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জোহরা৷ শিক্ষক দিবসে গম্ভীরকে স্যার সম্বোধন করে জোহরা জানিয়েছেন, ‘থ্যাঙ্ক ইউ গৌতম স্যার৷ আমি ও আমার পরিবার আপনার এই সাহায্যে অত্যন্ত খুশি৷ বড় হয়ে আমি ডাক্তার হতে চাই৷’

আরও পড়ুন: গম্ভীরের ‘এক আশা’ খাবার জোগাবে ক্ষুধার্তদের

Advertisement
----
-----