‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান অ্যাটিটিউডের জন্যই বাদ পড়েছেন গম্ভীর’

নয়াদিল্লি: অ্যাটিটিউড সমস্যায় জন্য বিশ্বকাপ জয়ের পর জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন গৌতম গম্ভীর৷ বিস্ফোরক দাবী ভারতীয় দলের প্রাক্তন নির্বাচকপ্রধান সন্দীপ পাটিলের৷

ভারতীয় এক ওয়েবসাইটদের বিশেষ কলামে সন্দীপ জানিয়েছেন, ‘মাথায় বল লাগার কারণে ২০১১ ইংল্যান্ড ট্যুরের মাঝপথে সরে যান গম্ভীর৷ চোট গুরুতর না হওয়ায় দলের ফিজিও ডাক্তাররা গম্ভীরকে খেলার অনুমতি দিয়েছিল৷ তবে গম্ভীর খেলতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশে ফিরে আসেন৷ সেই সফরে ভারতীয় দলের ওপেনিং স্লটে ওঁকে প্রয়োজন ছিল৷ গৌতম খেললে আজ ভারতীয় ক্রিকেট ওকে অন্য চোখে দেখত৷’  উল্ল্যেখযোগভাবে বুধবার গম্ভীর দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের নেতৃত্ব ছাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই সন্দীপের এই উক্তি নিয়ে ক্রিকেটমহলে চর্চা শুরু হয়েছে৷

সন্দীপ তাঁর কলামে আরও জুড়েছেন, ‘ক্রিকেটে পারফরমেন্সের পাশাপাশি প্লেয়ারের অ্যাটিটিউডও গুরুত্ব পায়৷ আর এই অ্যাটিটিউড সমস্যার জন্যই একাধিকবার ভারতীয় দলে কামব্যাকের সুযোগ হারিয়েছেন গম্ভীর৷ সচিন,দ্রাবিড়, সৌরভ, সেহওয়াগদের পরবর্তী সময়ের তারকা হওয়ার সব রকম গুণ থাকলেও গম্ভীর তা হয়ে উঠতে পারেননি৷ অ্যাডিটিউডে পরিবর্তন আনলে গম্ভীর আরও বেশি সাফল্য পেতে পারত৷’

- Advertisement -

২০১৩ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজে শেষবার ওয়ান ডে দলে সুযোগ পান গম্ভীর৷ ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর দু’বছরের মধ্যেই জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন ওয়াংখেড়ে ফাইনালে ৯৭রানের মালিক৷ তাঁর পরিবর্তে ওপেনিংয়ে নতুন মুখ শিখর ধাওয়ানের উপর আস্থা রাখতে শুরু করেন জাতীয় নির্বাচকরা৷

ওয়ান ডে’ পাশাপাশি টেস্ট দলেও নিজের জায়গা পেতে গম্ভীরকে ঘাম ঝড়াতে হয়েছে৷ ২০১৩ সালের পর থেকে গম্ভীরের পরিবর্তে শিখরকেই সুযোগ দিতে থাকেন নির্বাচকরা৷ ২০১২ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলার পর প্রায় দু’বছর দলে ফিরতে অপেক্ষা করতে হয়৷২০১২ পর ২০১৪ সালের ইংল্যান্ড সফরের দুই টেস্টে সুযোগ পান গম্ভীর৷ এরপর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডে ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে শেষ সুযোগ পান দিল্লিওয়ালা৷

চলতি আইপিএলে গম্ভীর দিল্লির নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশ্য বিশেষ কিছু বলেননি পাটিল৷ তাঁর সংযোজন, ‘সাফল্য না দিতে পারাতেই সরে গিয়েছে৷ সেই সিদ্ধান্তের জন্য অবশ্যই ওকে শ্রদ্ধা করি৷ ক্রিকেটার হিসেবে সবসময় ও হৃদয়ে থেকে যাবে৷’

Advertisement ---
---
-----