ঘুমের পদ্ধতিতেই রয়েছে ভুল, জেনে নিন কী বলছে আয়ুর্বেদ

আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন কমবেশি সকলেই৷ সেইজন্যই নিয়ম মেনে খাদ্যতালিকায় যোগ করেন হাজারো হেলদি ফুডস৷ কিন্তু, স্বাস্থ্য মানে শুধুমাত্র হেলিদি ফুড নয়৷ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সম্পূর্ণ খাদ্যতালিকাকে, সঠিক ঘুম৷ কিন্তু, আমরা অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিই না৷ ফলে, দিনের শেষে অসম্পূর্ণ থেকে যায় আমাদের ‘ডায়েট চার্ট’৷ এতো গেল সাধারণ কথা৷ কিন্তু, ঘুম নিয়ে কী বলছে আয়ুর্বেদ?

আয়ুর্বেদের তথ্য অনুসারে, স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল থাদ্যতালিকা, নিদ্রা (ঘুম)৷ সবকিছুর উপরেই নির্ভর করে সুস্থতার মাপকাঠি৷ কিন্তু, অনেক সময়ই আমরা মেনে চলি না সঠিক নিয়ম৷ যার ফল হিসেবে দেখা দেয় শারীরিক অসুস্থতা৷ সাধারণত একটি শিশুর দিনের ঘুমের প্রয়োজন হয় প্রায় ২০ ঘন্টা৷ অন্যদিকে, একজন প্রাপ্তবয়স্কের দিনে ঘুমের প্রয়োজন হয় সাত থেকে নয় ঘন্টা৷ বয়সের ভিন্নতা অনুযায়ী আমাদের ঘুমের সময়ে তফাৎ ঘটে থাকে৷ অনেকে আবার আছে ‘শর্ট-স্লিপারস’৷ তারা অবশ্য এই পরিমান ঘুমেই সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন কাটায়৷

স্বামী সত্যানন্দ সরস্বতী বলেছেন ‘একজন মানুষ গভীর ঘুমের মধ্যে সম্পূর্ণ অচৈতন্য অবস্থায় থাকে৷ আর এসময়ই মানুষটি নিজের সত্বার খুব কাছাকাছি থাকে৷ সেজন্যই ঘুম আমাদের সুস্থ-সতেজ করে তোলে৷তাই ঘুমের সময় সবসময় বাঁদিক ঘেঁসে শোয়া উচিত৷ কারণ, এতে হার্টের উপর চাপ কম পড়ে৷ ঘুম শারীরিক নয়, একটি মানসিক অবস্থা৷’ অন্যদিকে, অতিরিক্ত ঘুমও হতে পারে অস্বাস্থ্যকর৷

- Advertisement -

অনেকেই আবার অনিন্দ্রা রোগে ভুগে থাকেন৷ তবে, আজকাল বেশীরভাগ খুব কম বয়সী ছেলেমেয়েরাই ভুগছে এই রোগে৷ যদিও, তার কারণ হিসেবে উঠে এসেছে প্রযুক্তি৷ কারণ, আজকাল টিনএজ ছেলেমেয়েরা ঘুমের সময় অতিবাহিত করে নিজেদের স্মার্টফোনে৷ তবে, সঠিক ঘুমের জন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের৷ সঙ্গে মেনে চলুন কয়েকটি সাধারণ বিষয়৷ রাতের দিকে চা, কফি কম পরিমানে খান৷ তালিকা থেকে বাদ দিন অ্যালকোহল৷ কারণ, প্রাথমিকভাবে ঘুমোতে সাহায্য করলেও সকালে দুর্বলতা দেখা গিতে পারে এজন্য৷ সময়মত ডিনার করুন, এড়িয়ে চলুন রাতের টিভি প্রোগ্রাম৷

Advertisement
---