জোহানেসবার্গ: রমজান মাসের অন্তিম লগ্নে মসজিদের মধ্যে দুষ্কৃতির হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন দুই ব্যক্তি। একই সঙ্গে জখম হলেন মসজিদে থাকা বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিমে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন ক্যাপ প্রদেশের ম্যালমেসবুরির এক মসজিদে। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে হামলাকারেঈ ব্যক্তির।

Advertisement

আরও পড়ুন- দুই মুসলিম যুবককে পিটিয়ে মারল গোরক্ষকরা

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরের দিকে মসজিদে চলছিল নমাজের প্রস্তুতি। রমজান মাস হওয়ার কারণে নিষ্ঠার দিকে একটু বেশিই নজর ছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষের। সেই কারণের ফাঁক থেকে গিয়েছিল নিরাপত্তায়।

সেই সুযোগেই মসজিদে প্রবেশ করে হামলাকারী। হাতে ছুরি নিয়ে এলোপাথাড়ি আক্রমণ করতে থাকে নমাজের জন্য মসজিদে হাজির হওয়া ব্যক্তিদের। সেই আক্রমণেই প্রাণ গিয়েছে দুই ব্যক্তির। একই সঙ্গে জখম হয়েছেন আরও অনেকে।

আরও পড়ুন- ‘মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিশ্বে ধর্মযুদ্ধ শুরু হতে পারে’

বিপদ বুঝে মসজিদ কর্তৃপক্ষ ফোন করে পুলিশকে খবর দেয়। ওয়েস্টার্ন পুলিশের প্রধানের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘একটি মসজিদ থেকে ফোন করে হামলার বিষয়ে জানানো হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। মসজিদ থেকে দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’ একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন জখম ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান হয়েছে।

পুলিশের মুখপাত্র লে কর্নেল এন্ড্রো ট্রেট জানিয়েছেন যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরেও হামলাকারী স্বমহিমায় ছিল। এলোপাথাড়ি আক্রমণ করেই চলেছিল। পুলিশের উপরেও হামলা চালানোর চেষ্টা করে। বহুবার তাকে আত্মসমর্পন করার কথা বললেও কর্ণপাত করেনি। এরপরে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তার উপরে গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় হামলাকারী ব্যক্তি।

হামলাকারীর পরিচয় সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হল তা নিয়েও অন্ধকারে পুলিশ। হামলাকারীর সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চেহারার গড়ন অনুসারে হামলাকারীর বয়স ৩০ বছরের কাছাকাছি বলে অনুমান করা যায় বলে জানিয়েছেন অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ কনস্টেবল হেনরি ডুরান্ট।

----
--