নয়াদিল্লি: গুলি থামাচ্ছে না পাকিস্তান। সেনা জওয়ানদের পাশাপাশি প্রাণ হারাচ্ছেন কাশ্মীরের সাধারণ মানুষও। আর তাই কাশ্মীরিদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কয়েক হাজারে বাংকার তৈরি করতে চলেছে কেন্দ্র।

কাশ্মীরের পাঁচটি জেলা সাম্বা, পুঞ্চ, জম্মু, কাঠুয়া ও রাজৌরিতে মোট ১৩,০২৯টি বাংকার তৈরি করছে কেন্দ্র। এইসব এলাকায় বারবার পাক শেলিং-এর আঘাতে আহত হন মানুষ। তাই প্রত্যেকটি বাড়ির সুরক্ষার কথা ভেবে এই ব্যবস্থা। এছাড়া আরও ১৪৩১টি বাংকার তৈরি করা হবে, যেখানে ৪০ জন লোকের জায়গা হবে।

সীমান্ত থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে এই বাংকারগুলি তৈরি করবে ‘ন্যাশনাল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন’। ১৬০ স্কোয়্যার ফুটের বাংকারে ৮-১০ জন করে থাকতে পারবে। আর কমিউনিটি বাংকারে ৪০ জন।

২০১৭-তে পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘনের বলি হয়েছেন ১২ জন সাধারণ মানুষ। আহত হয়েছেন ৭৯ জন। কয়েকদিন আগেই জঙ্গিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর এনকাউন্টার চলার সময়ও আঘাত লাগে সাধারণ মানুষদের।

এই কাজের জন্য ৪১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। ২-৩ দিনে যাতে একেকটি বাংকার তৈরি হয়ে যায়, তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সাম্বায় ২৫১৫টি সাধারণ বাংকার ও আটটি কমিউনিটি বাংকার তৈরি হবে। জম্মুতে ১২০০ সাধারণ বাংকার ও ১২০টি কমিউনিটি বাংকার, রাজৌরিতে ৪৯১৮টি সাধারণ বাংকার ও ৩৭২টি কমিউনিটি বাংকার তৈরি হবে। কাঠুয়াতে সাধারণ বাংকারের সংখ্যা হবে ৩,০৭৬। পুঞ্চ পাবে ৬৮৮টি কমিউনিটি বাংকার ও ১৩২০ সাধারণ বাংকার।

জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই সংস্থাই অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং গুজরাতের মত সীমান্তবর্তী এলাকায় রাস্তা ও ফেন্সিং তৈরির কাজে নিযুক্ত আছে।

----
--