পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: এবার পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দলের ছবি ধরা পড়ল পাহাড়পুর গ্রামে৷ সোমবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসে৷

প্রসঙ্গত, স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা না বলেই প্রধান ও উপ-প্রধান নির্বাচন করা হয়েছে বলে অভিযোগ৷ পাশাপাশি এদিন স্থানীয়রা অঞ্চল সভাপতির পদত্যাগের দাবিও তোলেন৷ সোমবার সকাল থেকেই পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে চাপা উত্তেজনা ছিল৷ তারমধ্যেই প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের৷

অভিযোগ, প্রধান ও উপপ্রধান কে হবেন তা নিয়ে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কোনও আলোচনাই করেননি তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস৷ যদিও সব অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে এদিন বোর্ড গঠন করে প্রধান ও উপ-প্রধান নির্বাচিত করা হয়৷ পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২৪ টি এবং বিজেপি ১ টি আসনে জয়ী হলেও প্রধান কে হবেন তা নিয়ে চাপা উত্তেজনা ছিল। কিন্তু প্রধান ঠিক করলেন বারোপেটিয়া নতুন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস।

- Advertisement -

এদিন তিনি ৩০ টি গাড়ির কনভয় নিয়ে পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আসেন। ২৪ জন সদস্য ছিলেন ওই কনভয়ে। তাঁর সঙ্গে জেলা সহ সভাপতি দুলাল দেবনাথও আসেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার চলেও যান। কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘‘আমরা চাই পাহাড়পুরের উন্নয়ন হোক। যারা প্রধান উপ-প্রধান হয়েছেন তাঁরা যাতে এলাকার কাজ করেন এটাই চাই আমরা। একক ভাবেই এই বোর্ড গঠন করলাম। আমরা এই এলাকায় পিছিয়ে রয়েছি। আমরা চাই উন্নয়ন। এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই। একই পদের দাবিদার অনেকে থাকেন৷ কিন্তু সবাইকে পদ দেওয়া যায় না৷ পাহাড়পুরের প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন অনিতা রাউত ও উপ-প্রধান হয়েছেন বেণুরঞ্জন সরকার।’’

Advertisement
---