আসারাম বাপুর নাবালিকা-ধর্ষণের মামলায় দেরি কেন? সরকারকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

নয়াদিল্লি : “আসারাম বাপুর মামলা এত দেরি হচ্ছে কেন? কেন তোমরা এখনও আক্রান্তকে পরীক্ষা করনি?” গুজরাত সরকারকে এই ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট৷

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থানের সংশোধনাগারে রয়েছেন ৭৬ বছর বয়সী আসারাম বাপু৷ ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে৷ সেই বছরের গোড়ার দিকে ঘটনাটি ঘটে৷ ঘটনার ২ মাস পরে আশারাম বাপু ও তাঁর ছেলে নারায়ণ সাঁইকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়৷ অভিযোগ ওঠে, গুজরাতের সুরাতে নিজের আশ্রমে ওই ১৬ বছরের নাবালিকা ও তার বোনকে ধর্ষণ করেন তিনি৷ গান্ধীনগর আদালতে এখনও সেই মামলা চলছে৷

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদের নামে ব্যবসা চালাচ্ছে পতঞ্জলি

- Advertisement -

মামলা চলাকালীন আসারাম বাবু জামিনের জন্য আবেদন করেন৷ সুপ্রিম কোর্টে এই নিয়ে শুনানি ছিল সোমবার৷ সেখানেই গুজরাত সরকারকে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট৷ বলা হয়, আশারাম বাপুর মামলার কাজে দেরি করছে তারা৷ এবছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট আদেশ দিয়েছিল, আর দেরি না করে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে তার সাক্ষ্য নেওয়া হোক৷ সেই সঙ্গে অন্য সাক্ষীদেরও সাক্ষ্যগ্রহণ সেরে ফেলতে নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত৷ এখনও পর্যন্ত ৪০-এর বেশি সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি৷

আরও পড়ুন: যুদ্ধ না শান্তি? আড়াই মাস পর ডোকলাম সংঘাতের সমাধান করল ভারত-চিন

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন আশারাম বাপু৷ কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন নাকচ করে দেয়৷ এখন তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে সংশোধনাগারে রাখা হয়েছে৷ তাদের সংশোধনাগারে থাকার সময়েই ৬ সাক্ষীর উপর হামলা হয়৷ তাঁদের মধ্যে ২ জন মারা যান৷

Advertisement ---
---
-----