আহমেদাবাদ : ছবিটা যদিও নতুন নয়৷ ভুয়ো চিকিৎসকের পাল্লায় পড়ে প্রাণ গিয়েছে অনেক রোগীর৷ তবে এখানে ভুয়ো চিকিৎসক নয়, একেবারে সাফাইকর্মীর হাতে বাঁচামরা নির্ভর করে রোগীর৷ অর্থাৎ গুজরাটের বারুচ সিভিল হাসপাতালে এক জন সাফাইকর্মীকে দেখা গেল জরুরি বিভাগের রোগী সামলাতে৷ সেই সাফাই কর্মীই ক্ষতস্থান সেলাই করে দিচ্ছেন বলে ভিডিওতে প্রকাশ৷ এই ভিডিও রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরল৷ রীতিমতো আলোড়ন পড়ে গিয়েছে৷

চিকিৎসার এই অবহেলার ছবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে নেটদুনিয়ায়৷ গোটা ঘটনায় বিস্মিত রেসিডেন্ট মেডিক্যাল অফিসার বা আরএমও এস আর প্যাটেল৷ তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন৷ দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে বলেও আশ্বাস তাঁর৷

Advertisement

প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ওই গ্রুপ ডি কর্মী আদতে একজন সাফাই কর্মী৷ নার্স বা চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতেই তিনি জরুরি বিভগের এক রোগীর ক্ষতস্থান সেলাই করছেন! আশ্চর্যের ব্যাপার হল , এই সাফাইকর্মীর বিরুদ্ধে তিন মাস আগেও একই ধরণের ঘটনা ঘটনার অভিযোগ উঠেছে৷

পড়ুন: হাড়হিম হয়ে যাওয়া ভিডিও ফাঁস! মেঘের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ওটা কে?

এর আগে, চিকিৎসকের অভাবে রোগী দেখেন কাটোয়া ২ ব্লকের অগ্রদ্বীপ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট, নার্স, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী থেকে অস্থায়ী সাফাই কর্মী— সকলেই। বিপাকে পড়ে রোগীরাও তাঁদেরই দেখান৷ এমনই হাল উঠে এসেছিল গাজিপুর, অগ্রদ্বীপ ও পূর্বস্থলী ২ ব্লকের পিলা অ়ঞ্চলের প্রায় ২৫টি গ্রামের ভরসা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের।

জানা যায়, চিকিৎসক থাকাকালীন বহির্বিভাগে ফি দিন তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো রোগী আসতেন। কিন্তু চার মাস ধরে চিকিৎসক না থাকায় বহু রোগীকেই ফিরে যেতে হচ্ছে। চিকিৎসকের জায়গায় বহির্বিভাগে রোগী দেখছেন হাসপাতালের কর্মীরা। ফার্মাসিস্ট থাকলে তিনিই প্রেসক্রিপশন করেন। তিনি কোনও কারণে ছুটি নিলে দায়িত্ব এসে পড়ে নার্স ও সাফাইকর্মীর উপরে।

----
--