বাসুদেব ঘোষ, বোলপুর: রবিঠাকুরের আসন পাতা বিশ্বজুড়ে৷ বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দিতে এসে আরও একবার সে কথাই বলে গেলেন আচার্য নরেন্দ্র মোদী৷ বলেন, ‘‘আগেও রবীন্দ্রনাথ গ্লোবাল সিটিজেন ছিলেন৷ আজও তিনি গ্লোবাল সিটিজেন৷’’

বিভিন্ন সময়ে দেশে-বিদেশের বহু জায়গায় ঘুরেছেন মোদী৷ এবং সেখানে গিয়ে দেখেছেন রবীন্দ্রনাথের ব্যাপ্তি কতটা বিশাল৷ রবীন্দ্রনাথের প্রতি বিশ্ববাসীর কতটা সম্মান৷ তাজিকিস্তানে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের মূর্তি উন্মোচন করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি৷ সেই গুরুদেবের শান্তির নীড় শান্তিনিকেতনে এসে আপ্লুত এই রাষ্ট্রপ্রধান৷

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে মোদীর কাছে সাহায্যের আর্জি হাসিনার

নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘আমি শুনেছি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় ভাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয় যিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন৷ আহমেদাবাদে ছ’মাসের জন্য কমিশনার পদে ছিলেন৷ সেই সময় তিনি গুরুদেবকে ইংরেজি সাহিত্য পড়াতেন৷ আহমেদাবাদে বসেই রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ক্ষুধিত পাষাণ, বেশ কয়েকটি কবিতা৷ গুজরাটের সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে রবীন্দ্রনাথের৷’’

আজীবন রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করেছেন, গোটা বিশ্ব একটা পরিবার৷ ‘বসুদৈব কুটুম্বকম’৷ গুরুদেব বিশ্বাস করতেন, প্রতিটি মানুষ পৃথিবীতে আসে কিছু না কিছু করতে৷ শিক্ষাকে পাথেয় করেই এগিয়ে চলে মানুষ৷ ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে৷ সেই মন্ত্রকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলুক বিশ্বভারতী৷ এগিয়ে চলুক গোটা দেশ৷ এমনটাই ইচ্ছে বিশ্বভারতীর আচার্যর৷

আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে হাজির মোদী-মমতা-হাসিনা

----
--