গুরুগ্রাম: কেবলমাত্র পাঁচটি জায়গাই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হোক নমাজের জন্য। আর সেসব জায়গা যেন মন্দিরের ২ কিলোমিটারের মধ্যে না হয়। এভাবেই নামাজ নিয়ে নতুন দাবি তুলল গুরুগ্রামের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। গত কয়েকদিন ধরে চলা নমাজ বিতর্কে হরিয়ানার মুখ্যন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর প্রকাশ্যে নামাজ না পড়ার পক্ষেই সায় দেন। এরপরই নতুন করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।

একইসঙ্গে তাদের দাবি, যারা প্রকাশ্যে নমাজ পড়বে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। ‘সংযুক্ত হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’ হিসেবে একটি সংগঠন তৈরি করেছে গুরুগ্রামের হিন্দুত্ববাদীরা। নতুন দাবি নিয়ে তারাই যাচ্ছে প্রশাসনের কাছে। ইতিমধ্যেই সেসব দাবি নিয়ে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে তারা। এই সংগঠনের মধ্যে রয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় হিন্দু ক্রান্তি দল, বজরং দল, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সংস্কৃতি গৌরব সমিতি, স্বদেশি জাগরণমঞ্চ, ভারত বাঁচাও অভিযান ও সংস্কার ভারতী।

সেই চিঠিতে স্পষ্ট লেখা হয়েছে, ‘নমাজের জন্য কয়েকটি এলাকা চিহ্নিত করে দিতে হবে। তার সংখ্যা যে কখনই পাঁচের বেশি না হয়, আর মন্দিরের ২ কিলোমিটারের মধ্যে যেন না থাকে সেসব জায়গা।’ নতুন জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার আগে সংগঠনের সঙ্গে কথা বলতে হবে বলেও দাবি জানানো হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ এপ্রিল থেকে। গুরুগ্রামের ওয়াজিরাবাদ এলাকার একটি মাঠে নমাজ পড়ছিলেন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা। সেই সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। সেই সকল লোকেরা ‘জয় শ্রী রাম’ এবং ‘রাধে রাধে’ স্লোগান দেয়। সেই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই সক্রিয় হয় প্রশাসন। এরপর প্রকাশ্যে নমাজ বন্ধ করতে চিঠি দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীকেও।

----
--