পড়াশোনা বন্ধ রেখে দেশকে পদক দিল হর্ষিতা

জাকার্তা: হর্ষিতা তোমার৷ এশিয়ান গেমসে পদকজয়ী ভোপাল কন্যা৷ সেলিং-এ ব্রোঞ্জ জিতেছেন বছর ষোলোর হর্ষিতা৷

জন্মের আগে থেকেই হর্ষিতার ভাগ্যে লেখা হয়েছিল সেলিং৷ হর্ষিতার মা একজন সিআরপিএফ অফিসার৷ অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় শ্রীনগরে পোস্টিং ছিলে তিনি৷ কিছুদিন পরেই জন্ম হয় হর্ষিতার৷ তার জন্মের পরই তোমার পরিবার চলে আসে হোসাঙ্গাবাদে৷

কিন্তু প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে হর্ষিতা৷ তার বাবা দেবেন্দ্র তোমার জানান, ‘আমি হর্ষিতাকে ফ্যামিলি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়৷ প্রথম দু’ বছর প্রায় প্রতিদিন আমি ওকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়৷ সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসক ওকে জলের কাছাকাছি রাখার নির্দেশ দেন৷’

- Advertisement -

দু’ বছর বয়সেই নর্মদা নদীতে সাঁতার শিখতে শুরু করে হর্ষিতা৷ পরে ১০ বছর বয়সে ভোপালের জাতীয় সেলিং অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হয় হর্ষিতা৷ আর প্রশিক্ষণের ছ’ বছরের মধ্যেই এশিয়াডে দেশকে পদক দিল ভোপাল কন্যা৷ শুধু তাই নয়, কনিষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে সেলিংয়ে এশিয়ান গেমসে পদক জিতল হর্ষিতা৷

তবে পজক পিছনে রয়েছে তার আত্মত্যাগ৷ এর জন্য চার বছর তাকে থাকতে হয়েছে ঘরের বাইরে৷ পাঁচ-ছয় মাস ছাড়া মাত্র কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে আসতে পারত৷ গত বছর পড়াশোনা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় হর্ষিতা৷ এশিয়াডে পদকজয়ী হর্ষিতা জানায়, ‘সুইমিং আমার নেশা৷ মধ্যপ্রদেশ স্পোর্টস অ্যাকাডেমির কোচেরা ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগামে আমার প্রতিভা দেখেন৷ কোচেররা তখনই আমাকে সেলিংয়ের জন্য বেছে নেয়৷’ কোনও দ্বিধা ছাড়ায় সেলিং অ্যাকাডমিতে যোগ দেয় হর্ষিতা৷

Advertisement ---
---
-----