নির্বাচনে না জিতলে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার বন্ধ হবে: হাসিনা

ঢাকা: জাতীয় নির্বাচনে জিততে না পারলে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার বন্ধ হয়ে যাবে৷ এরকমই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখা হাসিনা৷ তাঁর আমলেই একের পর এক দোষীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷ এই তালিকায় জামাত ইসলামি বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বরা ছিল৷ তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাক সেনার সাহায্যে বহু মানুষকে খুনের অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে৷

আরও পড়ুন- পাক গোয়েন্দাদের নজরে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে গোপন তথ্য প্রকাশ দ্রুত

শনিবার সকালে ঢাকায় দুটি সরকারি কলোনিতে নবনির্মিত বহুতল ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা৷ সেখান তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। মনে রাখতে হবে আমরা যদি জিততে না পারি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ দরিদ্র হয়ে যাবে, সামাজিক নিরাপত্তার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে, শিক্ষার হার কমে যাবে।

- Advertisement -

যুদ্ধপরাধীদের বিচার ঘিরে সরকারের অবস্থানে প্রশ্ন উঠেছে৷ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের দাবি বিচার হয় একপাক্ষিক৷ আর সরকারের পাল্টা দাবি, বাংলাদেশের মানুষকে নির্বিচারে খুনে জড়িতদের চরম সাজা দেওয়া হচ্ছে৷ অনুষ্ঠান থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের মানুষের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমাদের শক্তি জনগণ, জনগণের কল্যাণে আওয়ামী লীগ কাজ করে। ক্ষমতায় থেকে যেসব কাজ আমরা করেছি তা জনগণের কাছে তুলে ধরবেন, ভবিষ্যতে কী কাজ করবো তাও তুলে ধরবেন।’

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে৷ সরকারের প্রতিপক্ষ বিএনপির শীর্ষ নেত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় জেলবন্দি৷ তাঁকে ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি৷ নির্বাচনে একতরফা জয় পেতেই বেগম জিয়াকে মামলায় ফাঁসিয়া জেলে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি বিএনপি নেতাদের৷ গত নির্বাচনে ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে বিএনপি ভোট বয়কট করে৷ তারপরেই শুরু হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন৷ সেই আন্দোলন ক্রমে হিংসাত্মক হয়েছিল৷ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় তাতে৷

বিএনপি ভোট বয়কট করায় জাতীয় সংসদের বিরোধী নেত্রী হন জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ৷ তিনি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুসেন মহম্মদ এরশাদের স্ত্রী৷

Advertisement
---