সারা দেশে ভারি বৃষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে ১০৭৪ জনের : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : কেরলের বন্যায় ভেসে গিয়েছে সব৷ প্রাণ তো গিয়েছেই, সঙ্গে শেষ হয়েছে সম্পত্তি, বাড়িঘরের চিহ্নও৷ তবে শুধু কেরলই নয়, বন্যায় ক্ষতি হয়েছে সারা দেশের বিভিন্ন অংশে৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানাচ্ছে গোটা দেশে বন্যায় ও ভারি বৃষ্টিতে মোট ১০৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে৷

বন্যায় আক্রান্ত রাজ্যগুলি হল উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক এবং আসাম। রিপোর্ট অনুযায়ী, বন্যায় কেরলে সর্বাধিক ৪৪৩ জনের মৃত্যু হলেও, বাকি ৪ রাজ্যের মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ২১৮ জন, পশ্চিমবঙ্গে ১৯৮ জন, কর্ণাটকে ১৬১ জন, আসামে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রিপোর্ট জানিয়েছে, ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৭০ লক্ষ মানুষ। ১৭ লক্ষ মানুষকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কেরলে ৫৪ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ১৪.৫২ লক্ষ মানুষকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আসামে ১১.৪৬ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আর ২.৪৫ লক্ষ মানুষকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছিল।

- Advertisement -

পড়ুন: গোধরাকাণ্ডে ২ দোষীর যাবজ্জীবন, বেকসুর খালাস ৩

এনডিআরএফের তথ্য বলছে দেশের ১২ শতাংশ এলাকা বন্যাপ্রবণ৷ ফলে প্রতিবছর দেশের ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত৷ প্রতিবছর বন্যায় এ দেশে গড়ে ১৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়। সম্পত্তির ক্ষতি হয় প্রায় ৪,৭৪৫ কোটি টাকা৷
এরআগে, জুন মাসে দেশের পাঁচ রাজ্যে বৃষ্টি ও বন্যার জেরে ৪৬৫ জনের মৃত্যু খতিয়ান তুলে ধরে এনইআরসি৷ বলা হয় বৃষ্টি ও বন্যার কারণে মহারাষ্ট্র, কেরালা, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত ও অসমে মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে ১৩৮, ১২৫, ১১৬, ৫২ ও ৩৪ জনের। এনইআরসি-র তরফে জানানো হয়, মহারাষ্ট্রের ২৬টি, পশ্চিমবঙ্গের ২২টি, অসমের ২১টি, কেরালার ১৪টি এবং গুজরাতের ১০টি জেলায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অসমে ১০ লক্ষ ১৭ হাজার মানুষ বৃষ্টি ও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ন্যাশনাল ইমারজেন্সি রেসপন্স সেন্টার বা এনইআরসি এই তথ্য তুলে দেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে৷ অসমে কাজ করছে এনডিআরএফের ১৫টি দল৷ এনইআরসি জানিয়েছে মোট ৪৫ জন উচ্চপদস্থ কর্তা রয়েছেন ওই দলগুলিতে৷ উত্তরপ্রদেশে কাজ করছে ৮টি দল, পশ্চিমবঙ্গে ৮টি. গুজরাটে ৭টি, কেরালা ও মহারাষ্ট্রে ৪টি করে দল ও নাগাল্যান্ডে একটি করে এনডিআরএফের দল কাজ করছে৷

Advertisement ---
---
-----