গানপুরের হারানো পথিক

কলকাতা:  বহুদিন তিনি নেই অথচ আজও রয়ে গিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে। ১৯৮৯ সালের ২৬-এ সেপ্টেম্বর হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হলেও আজও বাংলা তথা হিন্দি গানের ভুবনে তিনি সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক। সুরের আকাশের এই শুকতারা আরও একটা জন্মদিন পার করেও তামাম সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে আজও সমানভাবে আদরণীয়।

মুক্তির আগে অনলাইনে ‘উড়তা পাঞ্জাব’hemu

বলিপর্দায় বন্ড-গার্লের অভিষেক

- Advertisement -

গানের দুনিয়ায় চিরকাল ধ্রুবতারা হয়ে থাকবেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ‘শাপমোচন’ ছবিতে ‘ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’ গানে রেডিওর ওপার থেকে যে ঝড় তিনি তুলেছিলেন, আজও তা ঘুরপাক খাচ্ছে ‘দুরন্ত ঘূর্ণির’তে। হেমন্তের জাদুকরী সুরের মূর্চ্ছনা ‘মনের কথাটি’ যেন ‘স্বপ্ন জাগানো রাত’। মনের অশান্ত সৈকতে, হেমন্তের গলার সুরের ঢেউ একটা একটা কাঁপন ধরিয়েছে সঙ্গীত প্রেমীদের হৃদয়ে। হেমন্তের গভীর আবেদন জাগানো গলায় ‘এই রাত তোমার আমার’ কিংবা ‘মৌ বনে আজ মৌ জমেছে’ জোয়ার তুলেছিল গানের সমুদ্রে। ছত্রে ছত্রে জ্যোৎস্না ঝরে পড়া এই গান বাঙালির রোমান্সের চূড়ান্ত প্রকাশ হয়ে চিরদিন থাকবে।

রিমেক নয়, সলমন-আমির সিক্যুয়াল!ta

সৃজিতের ছবিতে গান গাইবেন আশা ভোঁসলে

বাংলার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় হিন্দির হেমন্ত কুমার। এখানেও রোম্যান্টিনিজমের ঝড় তুলেছিলেন তিনি। ‘বেকরার করকে হামে ইয়ুঁ না জাইয়ে’ থেকে ‘না তুম হামে জানো’ আসলে গানে গানে সম্মোহন করতে তাঁর থেকে ভাল বোধ হয় আর কেউ জানতেন না। শুধু ফিল্মি গানই বা কেন, তাঁর গলায় রবীন্দ্রসঙ্গীত যে আলাদা মাত্রা পেত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া আধুনিক গানের আকাশে তিনি ‘নীল ধ্রুবতারা’ সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে গানে গানে মনের এক একটা করে পরত খুলে তিনি মন ছুঁয়ে গেছেন সঙ্গীত প্রেমীদের।

তবে একটা কথা যেটা না বললেই নয়। তা হল পর্দার পিছনে দরাজ কণ্ঠে হেমন্ত মানে পর্দার এপারে উত্তম কুমার। তাই যখন হেমন্তের কথা হচ্ছে তখন উত্তমকে কোনও ভাবেই বাদ দেওয়া যায় না। তবে শুধু উত্তম কুমার নয়, হেমন্তের সুরে লিপ দিয়েছেন টলি-বলির বহু নায়ক। তাই বছর পেরিয়ে শুধু একটা কথাই বলার হেমন্তের মায়াবী সুরেলা গলা তা কি ভোলার!

Advertisement
---