রাজ্য বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন না স্বরাষ্ট্রসচিব

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ, নদীয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য এবং ত্রিপুরার এক বিজেপি নেতাকে আক্রমণের ঘটনা ঘটার পর রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতৃত্ব৷ কিন্তু স্বরাষ্ট্রসচিবের দপ্তরের তরফে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে অত্রিবাবুর সাক্ষাতের ব্যাপারে কোনও উচ্চবাচ্চ করা হয়নি৷ অভিযোগ রাজ্য বিজেপির৷

শুক্রবার রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, একই দিনে তিন নেতার উপর আক্রমণের পর বিষয়টা স্বরাষ্ট্রসচিবকে জানাতে চাওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু রাজ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব সময়ই দেননি৷ সরকারে তৃণমূল কংগ্রেস৷ বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের অভিযোগ উনি নেবেনই বা কী করে৷

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র দিলীপ ঘোষের ওপর আক্রমণের অভিযোগ করেন৷ তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ খাতড়ায় একজন দলীয় পদাধিকারীর বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে বেরোনোর সময় জনা কয়েক দুষ্কৃতী দিলীপবাবুর উপর হামলা করে। এই ঘটনা ঘিরে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে৷

বৃহস্পতিবারই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। শাসকদলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বুধবার নদিয়া জেলায় দলীয় সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার সময়ে আক্রান্ত হন বসিরহাটের এই প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ্যে বিজেপি কর্মীদের উপর বেনজির সন্ত্রাস চলছে, তা টিভি ইন্টারভিউতে জানিয়েছিলেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ তবে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর ইভিএম খুললেই যে ২২টিরও বেশি আসন বিজেপির ঝুলিতে আসবে, তাও জানিয়ে রেখেছেন অমিত৷ শনিবার মেয়ো রোডের মঞ্চ থেকে সেই বার্তাই দেবেন অমিত৷

Advertisement
----
-----