কাউন্সিলরের উদ্যোগে দমদমে ফাঁস বড়সড় মধুচক্র

প্রতিকি ছবি- ছবির সঙ্গে প্রতিবেদনের কোন সম্পর্ক নেই

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এলাকায় অনেকদিন ধরেই চলছিল মধুচক্র৷ বার বার অভিযোগ জানানোর পরও লাভ হয়নি৷ অবশেষে কাউন্সিলরের উদ্যোগে ৭ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ দমদম ক্যান্টনমেন্টের সুভাষনগরের একটি বাড়িতে হানা দেয় দমদম থানার পুলিশ৷ ধৃত ৭ জনের মধ্যে ২ জন মহিলা ও ৫ জন পুরুষ৷

সুভাষনগরের ওই বাড়িতেই অনেকদিন ধরে চলত মধুচক্র৷ ৪-৫টি বাইক সবসময় বাড়ির বাইরে থাকত৷ দফায় দফায় সেই বাড়িতে মহিলারা ঢুকতেন৷ তাঁদের বাইকে নিয়ে আসা হত৷ এলাকাবাসীদের অভিযোগ সত্ত্বেও পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ৷ এরপর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ধনঞ্জয় মজুমদারকে গোটা বিষয় জানানো হয়৷ সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে খবর দেন তিনি৷

কাউন্সিলরের এই উদ্যোগে খুশি এলাকাবাসী৷ পুলিশকেও আরও তৎপর হওয়ার কথা বলেন কাউন্সিলর ধনঞ্জয় মজুমদার৷৪ দিন আগেই ১২ জুলাই কোন্নগরে বিরাট মধুচক্র সিআইডির জালে আসে৷ পুরসভার গেষ্ট হাউসে রমরমিয়ে চলছিল মধুচক্রের আসর৷ ঘণ্টার হিসাবে দেওয়া হত ঘর ভাড়া৷ মনোরঞ্জনের জন্য দালাল মারফত মহিলাদের আনা হত এখানে৷

- Advertisement -

দেহ ব্যবসা চালাতে সামাজিক মাধ্যমকেও ব্যবহার করত দালালরা৷ মহিলাদের ছবি দিয়ে জোগাড় করা হত ক্লায়েন্ট৷ নিখুঁত ভাবে চলত দেহ ব্যবসার কাজ৷ গত বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কোন্নগড় স্টেশন সংলগ্ন পুরসভার একটি গেষ্ট হাউসে হানা দেয় সিআইডির এক বিশেষ দল৷ সেখান থেকে ১২ জন গ্রেফতার করার পরই মিলেছে এমন তথ্য৷ তাদের মধ্যে এক নাবালিকা সহ আট জন মহিলা ও চার জন পুরুষ৷ খোদ পুরসভার গেষ্ট হাউসে এমন ঘটনায় কাঠগড়ায় কোন্নগড় পুর কর্তৃপক্ষ৷ অবশ্য সুভাষনগরের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বহীনতাই প্রশ্নের মুখে৷

Advertisement
---