পুনে: সম্প্রতি সুইসাইড বম্বার সন্দেহে পুনের এক ১৮ বছরের ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। ডিএনএ-তে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বুরহান ওয়ানি, জাকির মুসার মত জঙ্গিনেতারাই নাকি ছিল তার হিরো। এর আগেও কাশ্মীরে থাকার চেষ্টা করেছিল সে, ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে সেই খবর এসেছে।

শুক্রবারই গোয়েন্দারা জানতে পারেন, প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে কাশ্মীরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটাতেই পুনে থেকে গিয়েছে সাদিয়া আনোয়ার শেখ নামে ওই যুবতী। এরপরই তাকে আটক করা হয়। আরও জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে মহারাষ্ট্র এটিএস তাকে আইএসে যোগ দেওয়া থেকে আটকায়। তখনও সে প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি।

Advertisement

তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, কেউ তার মগজধোলাই করেনি। সে নিজেই এই পথ বেছে নিয়েছে। বুরহান ওয়ানি বা জাকির মুসাকেই আদর্শ করে নিয়েছিল সে। গত বছরের জুলাই মাসে কাশ্মীরের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

কনভেন্ট স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে সাদিয়া। এমনকি বোর্ডের পরীক্ষায় ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষার পর ছুটিতে সে সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ সময় কাটাতে শুরু করে। সেখানেই ইসলামিক কট্টরপন্থার দিকে আকর্ষণ বাড়তে থাকে তার। সেসব নিয়ে পড়াশোনাও করতে শুরু করে সাদিয়া। আর সেইসময়েই বিস্তার বাড়াতে সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নিচ্ছিল আইএস জঙ্গিরা। এইভাবেই আইএসের সমর্থক হয়ে ওঠে সাদিয়া। আরবি ভাষা।

যদিও জঙ্গিযোগের কথা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে সাদিয়ার পরিবার। তার মায়ের বক্তব্য, ‘আমার মেয়ে সন্ত্রাসবাদী নয়। পুলিশ আর মিডিয়া জোর করে ওর সঙ্গে আইএসের নাম জড়াচ্ছে। তারা আমার মেয়েকে হেনস্থা করছে।’

----
--