নওয়াজ শরিফের অপসারণ কি ভারতের জন্য অশনি সংকেত?

নয়াদিল্লি: যদিও নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খুব একটা শক্ত হাতে প্রশাসন চালাতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে তাঁর সময়ে একটা স্থায়ী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল বলেই মনে করছেন অনেকে। কিন্তু পানামা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তাঁকে বরখাস্ত করার পর সেই আশা শেষ।

আরও পড়ুন: শরিফের হাতেই থাকবে পাকিস্তানের ক্ষমতা : ঔরঙ্গজেব

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নাক গলাতে শুরু করেছেন বর্তমান পাক সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়া। ভারতের প্রাক্তন নৌসেনা অফিসার কুলভূষণ যাদবকে ফাঁসির নির্দেশ দিয়ে সেই প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: এই ৫ বিচারপতির কলমের খোঁচায় পদ হারালেন নওয়াজ

গত বছর অক্টোবর মাসে পাক প্রশাসন ও সেনা এবং গোয়েন্দাদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। আর পাক মিডিয়া সূত্রে জানা যায়, সেই বন্দ ঘরে নাকি নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফ ও আইএসআই-এর ডিজি-র মধ্যে বেশ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। তবে এবার পাকিস্তানের রাজনীতির টালমাটাল অবস্থায় সেনাবাহিনীর প্রভাব বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এতে ভারতের উপর খুব একটা প্রভাব পড়বে না কারণ পাকিস্তানের রাজনীতিতে বা সরকারে পাক সেনার আধিপত্য নতুন কিছু নয়।

আরও পড়ুন: কলকাতা সফরের মাঝেই কুর্সি গিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের এই বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর

উরি হামলার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে নতুন করে চিড় ধরেছে। আর বর্তমানে কুলভূষণের যাদব ইস্যুতে সেই সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নওয়াজ শরিফ হয়ত পরিস্থিতিতে কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারতেন। কিন্তু তাঁর পদত্যাগে সেই আশা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল। সবথেকে বড় কথা, আর এক বছর হলে শরিফ সরকারের একটা মেয়াদ পূর্ণ, কিন্তু নওয়াজের পদত্যাগ সেই সেই আশাও শেষ করে দিল।

Advertisement ---
-----