সে আপনার দেহের যে জায়গাতেই ব্যথা হোক না কেন, কষ্ট অবধারিত। অনেক ব্যাথাই যেতে অনেক সময় নেয়। যখন ওষুধ খেয়ে কোনও লাভ হয় না, তখন ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রাখুন।

বহুদিন থেকেই ব্যথার উপশমে হলুদ ব্যবহার করা হত। কখনও আবার হলুদ-চুন গরম করে ব্যথার জায়গায় দিলে খুব তাড়াতাড়ি ব্যথা কমে যেত, আবার কখনও হলুদ-দুধ পান করলে ব্যথা সেরে যেত। তবে এই টোটকাই এবার উঠে এল মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়। গবেষণা অনুযায়ী, যে কোনও ব্যথার ওষুধের থেকে থেকে ভালো কাজ করে হলুদ।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তাঁরা অবশ্যই হলুদ খেতে পারেন। বেশি করে হলুদ খেলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কিংবা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন। তাদের জন্য দারুণ কাজ করে হলুদ। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে হৃদরোগের সমস্যা দূরে রাখতেও সাহায্য করে হলুদ। এমনকী, ক্যান্সার থেকে বাঁচতেও নিয়মিত হলুদ খাওয়ার কথা বলছেন, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা।

গবেষণায় এসেছে স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখতেও সাহায্য করে হলুদ।ছোটো খাটো রোগ, স্মৃতিশক্তি, ছোটো খাটো কাঁটাছেঁড়া, সব ব্যাপারেই এসব জিনিস দারুণ কার্যকরী হয়ে ওঠে। এই যেমন হলুদ। যা কিনা কাঁচাও দারুণ উপকারী, আবার গুঁড়োও খুব কার্যকরী। তবে এই হলুদ খাওয়ার অনেক নিয়ম আছে। চিকিৎসকরা বলছেন, হলুদ স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ উপকারী। শরীরে ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য খুব ভালে, অ্যান্টিবায়েটিক হিসেবেও কাজ করে হলুদ।

নতুন গবেষণায় জানা গিয়েছে, হৃদপিণ্ডের সমস্যায় দারুণ কাজ করে হলুদ। রোজ ঘুম থেকে উঠে ১২৫ মিলিগ্রাম হলুদের রস খেলে হার্ট ভালো থাকে।শরীর সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ বা গুঁড়ো হলুদ এক চামচ খেয়ে নিন।

এমনকী, এক গ্লাস জলে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে সেই জল পান করলেও সুস্থ থাকবেন। এছাড়া ত্বক সুস্থ রাখতেও, হলুদের পেস্ট বানিয়ে মাখতে পারেন। হলুদ দাঁতের মাড়ি শক্ত করে। হলুদ দিয়ে দাঁত মাজতে পারেন। পরে অবশ্য উষ্ণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

----
--