স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া ও বর্ধমান: জলমগ্ন কেরলকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল হাওড়া ও পূর্ব বর্ধমান৷
হাওড়ার রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের তরফ থেকে ১১ টি শাখা কেন্দ্রের মাধ্যমে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।

বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের তরফ থেকে স্বামী সুবীরানন্দ মহারাজ জানান, বেলুড় মঠের কোয়েম্বাটোর মঠ ও মিশন, হরিপাদ, কোয়েম্বাটোর, কালাডি, কায়কুলাম, কোচি, কোহিকোড সহ বিভিন্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হবে৷ বন্যা বিধ্বস্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় স্কুল ভবনে ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রায় দুই হাজার মানুষকে খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

Advertisement

অন্যান্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসক দলকে আনা হয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবকরাও সেখানে কাজ করছেন। এখন বন্যার জল নেমে গিয়েছে৷ তাই দুর্গত মানুষেরা নিজ নিজ বাসভবনে ফিরতে শুরু করেছেন। যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়৷ বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি বিচার করে এখনও পর্যন্ত সেখানে ত্রাণকার্য চালিয়ে যাওয়া হবে বলে বেলুড় মঠের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন।

হাওড়ার রামকৃষ্ণ মিশনের পাশাপাশি কেরলবাসীর পাশে দাঁড়ালেন বর্ধমান রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪০০ কুইন্টাল মিনি কিট চাল পাঠানো হল৷ বন্যা বিধ্বস্ত কেরলের অসহায় ভাই বোন দের পাশে দাঁড়াতেই তাদের এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক সুব্রত মণ্ডল।

তিনি জানিয়েছেন, কেরলে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য অল বেঙ্গল রাইস মিল ওনার্স অ্যসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলায় জেলায় কমিটিগুলির কাছে যথাসাধ্য সাহায্যের জন্য আবেদন করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে প্রথম দফায় দুটি ট্রাকে মোট ৪০০ বস্তা মিনি কিট চাল পাঠানো হল। এরই পাশাপাশি তাঁরা আরও সাহায্যের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। এর আগেও তাঁরা উত্তরাখণ্ডে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য সাহায্য পাঠিয়েছিলেন বলে তিনি জানান।

----
--