স্টাফ রিপোর্টার, ব্যারাকপুর: বাবা সবজি বিক্রেতা৷ মা গৃহবধূ৷ সেই অর্থে সাহায্য করার কেউ ছিল না৷ তবু স্বপ্ন দেখেছিল এবছর উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে অষ্টম স্থানাধিকারী অনন্যা৷ স্বপ্নটা বেশ অন্যরকম ওর৷ কাঁচরাপাড়ার অনন্যা ঘোষ৷ ভবিষত্যে ক্রীড়া সাংবাদিক হতে চায় সে৷

কলা বিভাগে পড়াশোনা করেও যে বেশি নম্বর পাওয়া যায়, এবছর উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম গ্রন্থন সেনগুপ্তর পর তা দেখিয়ে দিল অনন্যা৷ কাঁচরাপাড়ার মেধাবী ছাত্রী অনন্যা ঘোষ ক্রীড়া সাংবাদিকতা করার স্বপ্ন নিয়ে আগামীদিনে এগোতে চায়৷

Advertisement

কাঁচরাপাড়ার ইন্ডিয়ান গার্লস হাই স্কুলের এই ছাত্রী উচ্চমাধ্যমিকে অষ্টম স্থান লাভ করেছে৷ কিন্তু কলা বিভাগে পড়লেও অধ্যাপনা বা শিক্ষকতা তার স্বপ্ন নয়৷ তার স্বপ্ন সাংবাদিক হওয়া৷ সর্বোপরি ক্রীড়া সাংবাদিক হতে চায় সে৷

অনন্যা বরাবরই স্কুলে ভালো ফল করত। টেস্ট পরীক্ষাতেও ভালো ফল করেছিল সে। কিন্তু একেবারে প্রথম দশ জনের মধ্যে ঢুকে পড়বে সে এই আশা তার ছিল না। অনন্যা ঘোষের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৩।

বড় হয়ে ক্রীড়া সাংবাদিক হতে চায়। আগামীদিনে ক্রীড়া সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করবে সে। অনন্যার বাবা সামান্য সবজি বিক্রেতা। মা গৃহবধূ৷ অনন্যা তার ভালো ফলের খবর প্রথম টিভি দেখেই জানতে পারে। কাঁচরাপাড়া ইন্ডিয়ান গার্লস স্কুলে আসতেই অনন্যাকে জড়িয়ে ধরেন স্কুলের শিক্ষিকারা। স্কুলেই তাকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।

স্কুলের শিক্ষিকারাই অনন্যা ঘোষকে মিষ্টি মুখ করান। অনন্যা জানায়, ভালো ফল হবে আশা ছিল তবে প্রথম দশে নাম থাকবে ভাবিনি। দারুন খুশি আমি। আমার ভালো ফল করার পেছনে আমার মা বাবা এবং স্কুলের শিক্ষিকারা সব রকম ভাবে সাহায্য করেছেন। আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আমি ক্রীড়া সাংবাদিকতা নিয়ে পড়তে চাই৷ শখ বলতে খেলা দেখা। ক্রিকেট খেলা পছন্দ করি।’

এভাবেই নিজের পছন্দ, নিজের শখকে পেশা করতে চাইছে অনন্যা৷ সেটাই স্বপ্ন তার৷ ভালো ফল করে সেই স্বপ্নের উড়ানে ডানা মেলে উড়তে চলেছে এবার৷ এবারের সেই উড়ানে সঙ্গী তার পরিবারও৷

----
--