শেষ বেলাতে সরগরম আই লিগ

নয়াদিল্লি: আইএসএল-এর গ্ল্যামারের কাছে ক্রমশ ফিকে হয়েছে আই লিগ৷ তবে বিদায়লগ্নে প্রদীপের শিখার মতো জ্বলে উঠল ভারতীয় ফুটবল জাতীয় লিগের দ্বিতীয় অধ্যায়৷ শেষ বেলাতে এসে জমজমাট আই লিগের উদ্বোধনী মঞ্চ৷

আইএসএল-এর দাপটে এমনিতেই প্রায় কোণঠাসা হতে বসেছে আই লিগ৷ এমন আবহের মধ্যেই মঙ্গলবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হল ২০১৭-১৮ সম্ভবত শেষ আই লিগের উদ্বোধনী সভা৷ উপস্থিত ছিলেন দশটি দলের অধিনায়ক ও কোচেরা৷

হাঁটি হাঁটি পা পা করে আই লিগ পৌঁছে গিয়েছে ১১তম সংস্করণে৷ আগের বারের তুলনায় এবারের আই লিগে থাকছে নতুন চমক৷ শুরুর লগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সাতটি দল অংশ নিয়েছে এই প্রতিযাগিতায়৷ এবার কিন্তু সেই দৃশ্যে এসেছে একটু বদল৷ আরও তিনটি নতুন দল স্থান পেয়েছে আই লিগের ক্যালেন্ডারে৷ প্রত্যাশা প্রত্যেক বারের তুলনায় এবারের লড়াই হবে আরও হাড্ডাহাড্ডি৷

তবে লাল-হলুদের ‘হেডস্যার’ খালিদ জামিলের কাছে এবারের আই লিগ রীতিমতো চ্যালেঞ্জোর৷ বিগত ১৪ বছর আই লিগের খেতাব আসেনি ইস্টবেঙ্গল শিবিরে৷ আর আগামী বছর থেকে ইস্টবেঙ্গল খেলবে আইএসএল-এ৷ সুতরাং আই লিগ খেতাব জেতার এটাই শেষ সুযোগ লাল-হলুদ ব্রিগেডের কাছে৷ খিদেটাও স্বাভাবিকভাবেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে৷ এ প্রসঙ্গে লাল-হলুদ কোচ বলেন, ‘এটা আমাদের সবার কাছে এক নতুন চ্যালেঞ্জ, আমাদের যুদ্ধ করতেই হবে৷ ইস্টবেঙ্গল আইলিগ জেতেনি৷ তাই এবারের আমাদের প্রত্যাশা অনেক উঁচুতে৷ রণাঙ্গনে ছেলেদের শুধু বলেছি সেরা খেলাটা তুলে ধরতে৷’

অপরদিকে বাগান কোচ সঞ্জস সেন দলে নতুন কিছু ফুটবলার পেয়ে আই লিগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী৷ বাগানের আই লিগ জয়ী কোচ মনে করেন এই দল নিয়ে গত মরসুমের মতো এবারও ছন্দময় ফুটবল খেলে জয় অব্যাহত রাখবেন৷ সনি নর্ডির গলাতেও এদিন শোনা গেল আত্মবিশ্বাসী সুর৷ ইন্ডিয়ান অ্যারোজ দলের কোচ মাতোসও তাঁর ছেলেদের নিয়েও আত্মবিশ্বাসী৷

Advertisement
---
-----