অনেক ছেলেবন্ধু থাকলেই কোনও মেয়ে খারাপ কেন!!

সন্তান-পাখি যখন ডানা মেলতে পারবে, তেমন সময়ে বাসা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় মা-পাখি৷ তাই বলে কি সন্তানকে কম ভালোবাসে মা-পাখি? কিন্তু, সন্তান-পাখি যাতে উড়তে পারে এবং খাবারের খোঁজ করে নিজে নিজেই খেতে পারে, তার জন্যই বাসা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় মা-পাখি৷ অথচ, আমাদের সমাজে সাধারণত এমন হয় না৷ কারণ, মা-বাবা তাঁদের সন্তানকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চান৷ আর, তার জেরেও, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সন্তানকে দায়-দায়িত্ব শেখাতে ভুলে যান মা-বাবা৷ অনেক ক্ষেত্রে এমন হয়, মা অথবা বাবা কিংবা দু’ জনেই ছোটবেলায় যেটা করতে পারেননি, সেটা সন্তানদের মাধ্যমে করছেন৷ এমনই বলছেন মনোবিদ সঞ্চিতা পাকড়াশি৷

আরও পড়ুন: সন্তানের পরিচয় জানাতে প্রথমেই আসুক মায়ের নাম!

বালিগঞ্জের এক বহুতলে কিশোর আবেশ দাশগুপ্তর রহস্যমৃত্যুর জেরে বিভিন্ন মহলে উঠছে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন৷ এই ধরনের ঘটনার জেরে আগেও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে৷ কিন্তু, উত্তর…? তেমনই, কোনও কোনও মহলে এমনও বলা হচ্ছে যে, এই ধরনের ঘটনা সমাজের উচ্চবিত্ত সম্প্রদায়ের কোনও অংশে দেখা দিলেই কি শুধুমাত্র প্রশ্ন উঠবে? তবে, এই ধরনের ঘটনা যে উচ্চ মধ্যবিত্ত এমনকী মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের কোনও অংশেও দেখা দেয়নি এবং পরিস্থিতির বদল না ঘটলে আগামী দিনে দেখা দিতে পারে না, তাও নয়৷ যে কারণে, সমাজের বিভিন্ন অংশে উদ্বেগও বাড়ছে৷ কেননা, সময় বহমান৷ আর, এই সময়ের হাত ধরেই ক্রমে আরও বদলে চলছে এই দুনিয়া৷

মনোবিদ সঞ্চিতা পাকড়াশি৷
মনোবিদ সঞ্চিতা পাকড়াশি৷
- Advertisement -

আরও পড়ুন: ভালোবাসার অধিকার প্রাপ্তির জন্য আর্জি প্রধানমন্ত্রীকে

এ দিকে, দুনিয়ার এই বদলের অংশীদার হিসেবে যেমন রয়েছে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন৷ তেমনই রয়েছে আবার মানুষের আচার-আচরণও৷ কিন্তু, মানুষের অভ্যেস তথা আচার-আচরণে ক্রমে বদল ঘটলেও সেই তুলনায় কি উন্নত হতে পারছে মানসিকতা? আর, মূল্যবোধ…? সময়ের সঙ্গে মূল্যবোধেও কি বদল ঘটেনি? মনোবিদ সঞ্চিতা পাকড়াশি-র সঙ্গে www.kolkata24x7.com-এর প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ ঘোষ-এর কথোপকথনে উঠে এল তেমনই বিভিন্ন বিষয়৷

আরও পড়ুন: দাভোলকর-পথে কুসংস্কারের ক্রম মুক্তি হবে বাংলায়!

প্রশ্ন: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মূল্যবোধেও কি বদল ঘটছে…?
উত্তর: যে ধরনের মূল্যবোধ নিয়ে বড় হয়েছিলাম, সেই ধরনের মূল্যবোধ হয়তো এখন হালকা হয়ে গিয়েছে৷ অভিভাবক-অভিভাবিকার ধরনও এখন বদলে গিয়েছে৷ অনেকের কাছে এখন টাকা, ইন্টারনেট সহ অন্য বিভিন্ন বিষয় সহজলভ্য৷ কিন্তু, সব মানুষের মধ্যে সংযম থাকে না৷ আগের তুলনায় দায়-দায়িত্ব-ও এখন অনেক কমে গিয়েছে৷ মা-বাবার জন্যেও সন্তানদের মধ্যে দায়-দায়িত্ব বোধ কমে যাচ্ছে৷

আরও পড়ুন: এলিয়েনের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবে লুপ্তপ্রায় মানুষ!

প্রশ্ন: কীভাবে?
উত্তর: যেমন, মা অথবা বাবার হাত ধরে স্কুলে পৌঁছচ্ছে সন্তান৷ কিন্তু, ব্যাগ ভারী৷ তাই, ব্যাগ বহন করছেন মা অথবা বাবা৷ আর, সন্তানও বুঝতে পারছে না যে, ব্যাগ বহন করার দায়-দায়িত্ব তার৷ এমন বিভিন্ন উদাহরণ রয়েছে৷ দায়-দায়িত্ব বোধ ছোটবেলা থেকেই গড়ে ওঠে৷ আগে হয়তো একই পরিবারে অনেক সন্তান থাকার কারণে নিজের মতো করে বড় হয়ে উঠত ছেলে-মেয়েরা৷ তাই হয়তো এখনকার মতো সন্তানের প্রতি মা-বাবার অতি আদর-যত্ন সেভাবে দেখা যেত না৷

আরও পড়ুন: প্রথার নামে প্রকাশ্যে গণধর্ষণ যেখানে এখন এক খেলা!

প্রশ্ন: অতি আদর-যত্ন-ই তা হলে…
উত্তর: সন্তানের প্রতি মা-বাবার অতি আদর-যত্ন রয়েছে৷ কিন্তু, সন্তানের যে বিষয়টির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন, দেখা যাচ্ছে, মা-বাবার নজর রয়েছে অন্য কোনও বিষয়ের প্রতি৷ অর্থাৎ, সঠিক স্থানে নেই ফোকাস৷ পরিবেশকে জানা, দায়-দায়িত্ব গড়ে ওঠার মতো বিষয়ের বদলে সন্তান এমন মনে করছে যে, মা-বাবার কাছে সে-ই মুখ্য৷ সে যা দাবি করবে, মা-বাবা সেটাই মেনে নেবেন৷ যেমন, কোনও বন্ধুর দামি মোবাইল ফোন রয়েছে, তাই সন্তানের দাবি মতো মা-বাবাও দামি মোবাইল ফোন দিয়ে দিলেন৷ তার সঙ্গে মোটা অংকের পকেট মানি, পার্টি, এ সব-ও রয়েছে৷ সন্তানের দাবি মেনে নিচ্ছেন মা-বাবা৷ অথচ, সন্তানের উপর তাঁদের নজরদারি নেই৷

আরও পড়ুন: যৌন হেনস্থার শিকার ৮% এলজিবিটিকেএইচ

প্রশ্ন: নজরদারি জারি থাকলেই তা হলে এড়ানো যেতে পারে অনাকাঙ্খিত কোনও ঘটনা?
উত্তর: একটা বয়স পর্যন্ত সন্তানের উপর মা-বাবার নজরদারি থাকা উচিত৷ কিন্তু, নজরদারি মানে গোয়েন্দাগিরি নয়৷ সন্তানকেও বোঝাতে হবে যে, মা-বাবা তার বন্ধু৷ তাঁরা তাকে অবিশ্বাস করছেন না৷ কিন্তু, তাঁরা খোঁজখবর রাখছেন যাতে তার কোনও সমস্যা না হয়৷

আরও পড়ুন: কলকাতায় এ বার উবের ক্যাব চালাবেন যৌনকর্মীরা

প্রশ্ন: কত বয়স পর্যন্ত এই ধরনের নজরদারি থাকা উচিত?
উত্তর: ১০-১১ থেকে ১৮-১৯ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ, প্রাক বয়ঃসন্ধিকালীন থেকে বয়ঃসন্ধিকালীনের পরবর্তী কিছুটা সময় পর্যন্ত সন্তানের উপর মা-বাবার নজরদারি প্রয়োজন৷ এই সময় সন্তানের প্রতি মা-বাবার এমন দৃষ্টিভঙ্গী থাকা উচিত, যাতে সন্তানও মা-বাবাকে সব কথা বলতে পারে৷ সন্তানকে সম্মান করলে, সে-ও সম্মান করতে শিখবে৷ মানুষ দেখে শেখে৷ রোল মডেল হিসেবে মা-বাবাকে যেমন দেখবে, তেমনই শিখবে সন্তান৷ আর, এর জন্য মা-বাবাকেই দায়িত্ব নিতে হবে৷

আরও পড়ুন: ন্যাপকিন ব্যবহার করেন না যৌনপল্লির ১৬% বাসিন্দা

প্রশ্ন: শুধুমাত্র মা-বাবাকেই কেন দায়িত্ব নিতে হবে…?
উত্তর: এখন আর তেমন কমিউনিটি লাইফ নেই যে, পাড়ার কাকু বকে দেবেন৷ কিন্তু, দেখা যাচ্ছে, সন্তানের সঙ্গে মা-বাবার ব্যবধান তৈরি হচ্ছে৷ এ ক্ষেত্রে অভিভাবক-অভিভাবিকার ধরনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ সন্তানের বিষয়ে যেখানে নজর দেওয়া উচিত, সেখানে যথাযথ নজর দেওয়া হচ্ছে না৷ মা-বাবার তুলনায় বন্ধুদের কাছে বেশি স্বস্তি পাওয়ার বিষয়টি কৈশোরের স্বভাব৷ যে কারণে, অভিভাবক-অভিভাবিকার ধরনে সন্তানের প্রতি এমন ভাবে নজর দিতে হবে, যাতে এই বয়সে মা-বাবার কাছে কোনও বিষয়ে সন্তানের অস্বস্তি না হয়৷

আরও পড়ুন: ভালো বাসা-র তুলনায় ইলিশ যে বেশি ভালোবাসার!

প্রশ্ন: আর, হাত খরচ অর্থাৎ, পকেট মানির বিষয়টি…?
উত্তর: এই বয়সে পকেট মানি হিসেবে কোথা থেকে আসে এত টাকা? পকেট মানির বিষয়েও নজর দেওয়া উচিত৷ এই বয়সে পকেট মানির জন্য আমেরিকার মতো বাঙালি ছেলে-মেয়েদের শ্রমদান করতে হয় না৷ সন্তানের প্রতি ভালোবাসা, আদর-যত্ন সবই থাকবে৷ কিন্তু, যাতে অতিরিক্ত না হয়ে যায়, তার জন্য তদারকি করতে হবে৷ সেই জন্য, পকেট মানি দেওয়ার পরে প্রতিদিন অথবা সপ্তাহের শেষে মা-বাবার হিসেব নেওয়া উচিত৷ তা হলে, সন্তানও নিয়ন্ত্রণে থাকবে৷ অথচ, দেখা যাচ্ছে, সন্তানকে স্বার্থপর হতে শিখিয়ে দিচ্ছে মা-বাবার বিভিন্ন আচরণ৷

আরও পড়ুন: পূর্ব ভারতের বিরল নজিরে রক্ষা পেল কিশোরীর প্রাণ

প্রশ্ন: প্রযুক্তিগত উন্নয়নের তুলনায় সেভাবে কি উন্নত হচ্ছে মানসিকতা, শিক্ষিত হচ্ছে মানুষ?
উত্তর: শিক্ষিত হওয়া মানে পুঁথিগত শিক্ষা অর্জন নয়৷ শিক্ষা হল মননচর্চার বিষয়৷ এই মননচর্চার জন্য বাঙালি এক সময় বিখ্যাত ছিল৷ তেমন কি আর আছে? নেই৷

প্রশ্ন: কিশোর-কিশোরী তথা তরুণ প্রজন্মের সদস্যদের প্রতি কী বলবেন?
উত্তর: জীবন দেখা শুরু হয়েছে এখন৷ তবে, গুরুগম্ভীর ভাবে নয়, বয়সের ধর্ম হিসেবেই জীবন দেখা উচিত৷ কিন্তু, এখন দুঃখে থাকলে সারা জীবন আনন্দে থাকবে এবং এখন আনন্দে থাকলে সারা জীবন দুঃখে থাকতে হবে, এই দুই বিষয়ের মধ্যে কোনটা বেছে নেবে, সেটা ভাবা উচিত৷

আরও পড়ুন: সারদাকাণ্ডে এক সাংবাদিকের আত্মহত্যা এবং মিডিয়া

প্রশ্ন: অর্থাৎ…?
উত্তর: যেমন, ভবিষ্যতে কেউ হয়তো বিদেশে থাকবে৷ সেই সময়, এখনকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তো নয়-ই এমনকী একাও থাকতে হতে পারে৷ তার উপর, এখনকার মতো ১০-১৫ বছর পরে একই রকম থাকবে না সময়৷ তখন যাতে টিকে থাকা যায়, তার জন্য নিজেকে তৈরি রাখতে হবে৷

প্রশ্ন: তার জন্য কী করা উচিত?
উত্তর: তার জন্য বেসিক কিছু ডিসিপ্লিন মেনে চলা উচিত৷ আর, কাউকে যখন কিছু বলছি আমি, তখন তাঁর দৃষ্টিভঙ্গীতে ভাবা উচিত যে, আমার কথায় তাঁর উপর কোন ধরনের প্রভাব পড়ছে৷

আরও পড়ুন: পথ-প্রান্তিক শিশুদের জন্য কলকাতায় এখন টয় ব্যাংক

প্রশ্ন: কোনও অপরাধের সঙ্গে হয়তো যুক্ত নয় কোনও কিশোর অথবা কিশোরী৷ অথচ, দেখা গেল, ঘটনাস্থলে থাকার জন্য অথবা অন্য কোনও ভাবে তার নাম জড়িয়ে গিয়েছে৷ এ ক্ষেত্রে পরিচিত এমনকী পরিজনদের কাছেও যে ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, তার জেরেও কি ওই কিশোর অথবা কিশোরীর উপর মানসিক চাপ পড়ে না? এই ধরনের ঘটনা বড়দের ক্ষেত্রেও হয়৷ কিন্তু, এই ধরনের ঘটনায় কিশোর-কিশোরীদের মা-বাবার প্রতি কী বলবেন…?
উত্তর: এই ধরনের ক্ষেত্রে অপরাধী না হয়েও কিছুটা হলেও দায়ভার বর্তায়৷ তাই, এ ক্ষেত্রে সন্তানকে মন খুলে কথা বলতে দেওয়া উচিত৷ এবং, যে ধরনের পরিস্থিতিই হোক না কেন, তার জন্য মা-বাবারও প্রস্তুত থাকা উচিত৷

আরও পড়ুন: ভারতের প্রথম ডানা-য় ফ্র্যানচাইজি খুঁজছে বাংলা-দুর্বার

প্রশ্ন: এক জন মেয়ের যেমন একাধিক ছেলেবন্ধু থাকতে পারে৷ তেমনই, এক জন ছেলেরও থাকতে পারে একাধিক মেয়েবন্ধু৷ অথচ, দুনিয়া ক্রমে আরও বদলে চললেও, এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায়, এক জন মেয়ের একাধিক ছেলেবন্ধু থাকলে, সেই মেয়েটির চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে৷ ছোটবেলা থেকেই ভালো-মন্দের ফারাক বুঝিয়ে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন মা-বাবা, পরিচিতরা৷ অথচ, এক জনের কাছে কোনও একটি বিষয় মন্দ মনে হলেও, সেই একই বিষয় কিন্তু অন্য জনের কাছে ভালো হিসেবে মনে হতেই পারে…
উত্তর: এই ধরনের ভালো-মন্দের ধারণা সুস্থ মানসিকতার নয়৷ আর, কোনও একটি মেয়ের একাধিক ছেলেবন্ধু থাকা মানেই যে ওই মেয়েটির চরিত্র খারাপ, এই বিষয়টি নোংরা মানসিকতার প্রকাশ৷ এই বিষয়টি লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার৷ ব্যক্তি স্বাধীনতায় এই ধরনের কথা বলা উচিত নয়৷ মন্দ হল, যখন কোনও বিষয়টি অপরাধ হয়৷

আরও পড়ুন: বিশ্বাসযোগ্যর নামে ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা!

প্রশ্ন: সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য একটা বয়সের পর তার পার্সোনালিটি অ্যাপটিটিউট টেস্টের  কথা বলা হচ্ছে কোনও কোনও মহলের তরফে…
উত্তর: এই বিষয়টি হাস্যকর৷ সাধারণত কর্মস্থলে যাঁদের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দেয়, তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্ট করানো হয়৷ আর, কোন ছেলে অথবা মেয়ের মধ্যে কোন বিষয়ের প্রতি বিশেষ দক্ষতা রয়েছে, তার নির্ণয়ের জন্য অ্যাপটিটিউট টেস্ট করানো হয়৷ কাজেই, সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার সঙ্গে পার্সোনালিটি অ্যাপটিটিউট টেস্টের কোনও সম্পর্ক নেই৷

আরও পড়ুন: ভালো কাজে মমতার পুরস্কারের বদলে দিতে হল ইস্তফা

প্রশ্ন: কখনও অপরাধ৷ কখনও, চূড়ান্ত অবসাদ৷ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে কোনও না কোনও কিশোর-কিশোরী…
উত্তর: এ ক্ষেত্রে সচেতনতার প্রয়োজন৷ যেমন, ১৮ বছর না হলে কেউ মদ কিনতে পারবেন না৷ অথচ, ১৮ বছরের কম বয়সিদের কাছেই মদ পৌঁছে যাচ্ছে৷ কীভাবে তারা মদ কিনতে পারছে? তাই, সামগ্রিক সচেতনতার প্রয়োজন৷ আর, আগের প্রজন্মের কিছু ভুল-ভ্রান্তিও কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই প্রজন্মের কম বয়সিদের উপর প্রভাব ফেলছে৷

____________________________________________________________________

আরও পড়ুন:
(০১) মুমূর্ষুর প্রাণরক্ষায় ক্যাসুয়ালটি ব্লক চাইছেন ডাক্তাররা
(০২) ‘বৈপ্লবিক উন্নয়নে’র পিজি-তেও ভরসা নেই সরকারের!
(০৩) সরকারি নির্দেশেই অকেজো মাল্টি-সুপার হাসপাতাল
(০৪) হাসপাতালে বেড না পেলে পৌঁছে যেতে হবে কালীঘাটে!
(০৫) ৪.৫ কোটি ভুক্তভোগীতেও চাপা পড়ে যাবে সারদাকাণ্ড!

____________________________________________________________________

Advertisement ---
---
-----