কঙ্কন কিংবা নাকছবি! হিন্দু বিয়ে এইসব সোনার গয়না কীসের প্রতীক?

হিন্দু মতে বিয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে নানা রকমের নিয়ম। তার মধ্যে অন্যতম হল সোনার গয়না। বিয়েতে এটা অপরিহার্য। সেই ঐতিহ্য আজও বজায় রয়েছে। কিন্তু অনেকে হয়ত জানেন না যে বিয়েতে সোনার গয়নার বেশ কিছু তাৎপর্য রয়েছে।

মঙ্গলসূত্র: এই নেকলেসটি বিবাহিত দম্পতির জাত ও সম্প্রদায়ের প্রথা ভেদে বিভিন্ন ডিজাইনে পাওয়া যায়। মঙ্গলসূত্র বিবাহের একটি অত্যন্ত প্রচলিত প্রতীক। মঙ্গলসূত্র বিভিন্ন জায়গায় নামে পরিচিত যেমন তামিলনাড়ুতে থালি কোড়ি, কেরালায় থালি (হিন্দু) বা মিন্নু (খ্রিষ্টান), অন্ধ্র প্রদেশে পুস্তেলু, কর্ণাটকে কর্থমনি পথক, বিহারে টাগ পাগ। মহারাষ্ট্র ও গুজরাতে এটিকে মঙ্গলসূত্র বলা হয়। প্রতিটি মঙ্গলসূত্রের পিছনে কোন প্রথাগত ও ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে।

বালা: বিয়ের কনের ষোড়শ অলঙ্করণ “ষোড়শোপচার”(সোলা-শৃঙ্গার)-এর একটি অংশ হল সোনার কঙ্কণ। বিয়ের কঙ্কণ সাধারণত নিয়মিত বালা বা চুড়ির থেকে আলাদা হয়। মহারাষ্ট্রের বিবাহিত মহিলারা সবুজ কাঁচের-চুড়ি পরে যা তাদের সৌভাগ্যের প্রতীক। পশ্চিমবঙ্গে, বিযের কনে শাঁখ আর প্রবালের বালা পরে যেগুলিকে বলে শাখা আর পলা, এগুলি কনের মা তাকে উপহার দেয়।

- Advertisement -

নাকছাবি: নাকছাবির কথা ষোড়শ শতাব্দী থেকেই শোনা যায়৷ প্রাথমিকভাবে, নাকছাবি এমন একটি গয়না হিসাবে বিবেচিত ছিল যা কেবল মুসলিমরা পরে, তবে, মুসলিম সংস্কৃতির সঙ্গে একত্রীকরণের ফলে, নাকছাবি হিন্দু বিবাহের সময় কনের সাজের অংশ হয়ে যায়।

Advertisement ---
---
-----