আজ শপথ নিতে চলেছেন ইমরান খান

ইসলামাবাদ: শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদে শপথ নেবেন ইমরান খান। রাজধানী ইসলামাবাদ শহর অনুষ্ঠিত হবে সেই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান।

বিশ্বের প্রধম কোনও ক্রিকেটার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হয়ে নজির গড়লেন তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা ইমরান খান।

আরও পড়ুন- বাতিল আকাশপথে প্রধানমন্ত্রীর বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন

- Advertisement -

২৫ জুলাইয়ের নির্বাচনে তাঁর দল এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট আসন ছিল না তাঁর হাতে। সেই কারণে নির্ভর করতে হয় অন্য রাজনৈতিক দলগুলির উপরে। গত ১৭ অগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় আইনসভায় প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য ভোটাভুটি হয়। আর তাতেই এসেছে ইমরান ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী পদের নিশ্চয়তা।

জয়ী হয়েই ভারতের জন্য সুসম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছেন ইমরান খান৷ জয়ের পরই সাংবাদিক বৈঠকে প্রথমেই কাশ্মীর সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, দ্রুত সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজবেন৷ আলোচনাই একমাত্র কাশ্মীর সমস্যার সমাধান, তাই আলোচনায় বসেই সমস্য়া সমাধানের ইঙ্গিত দেন পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷

আরও পড়ুন- ‘মার্কিন লক্ষ্যকে আঘাত করতে ক্রমশ তৈরি হচ্ছে চিনের বাহিনী’

কাশ্মীরের সমস্যা গুরুতর, তবে সমস্যা সমাধান সম্ভব, বলেন ইমরান৷ দুটি দেশ মুখোমুখি টেবিলে বসলেই একটা পথ বেরোবে বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত পাকিস্তানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তাই কোনওভাবেই কাশ্মীর প্রসঙ্গকে কারণ করে দুই দেশ তিক্ততা বয়ে নিয়ে যাবে না বলেও জানান৷

ইমরান খানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পাকিস্তান পৌঁছে গিয়েছেন নভজ্যোত সিং সিধু৷ ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানের লাহোরে প্রবেশ করেন তিনি৷ ইসলামাবাদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সিধু৷

আরও পড়ুন- বিধ্বংসী বন্যায় বিপর্যস্ত কেরলে প্রধানমন্ত্রী মোদী

আটারি ওয়াঘা সীমান্তে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন ভারতের তরফ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে পাকিস্তান যাচ্ছেন তিনি৷ দুই দেশের সম্পর্ক যাতে আরও উন্নত হয়, সেই চেষ্টার জন্য তাঁর পাকিস্তান যাত্রা৷ তিনি আরও বলেন, তাঁর আশা মানুষ তাঁকে ভুল বুঝবেন না৷

সিধুর এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়ার সিদ্ধান্তের পরেই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ বিতর্কের শুরু করেন বিজেপি নেতা সুব্রক্ষ্মণ্যম স্বামী৷ তাঁর বক্তব্য ছিল, ইমরান খানের আমন্ত্রণে যদি সিধু পাকিস্তান যান, তবে তাঁর সাথে নাকি দেশদ্রোহী ও প্রতারকের মতো ব্যবহার করা উচিত৷ এমনই বলেছিলেন এই বিজেপি নেতা৷ এমনকি সিধুর মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন সুব্রক্ষ্মণ্যম স্বামী৷ তাঁর পরামর্শ ছিল, যদি মানসিক ভাবে সুস্থ থাকেন সিধু, তবে তাঁর পাকিস্তান যাওয়া উচিত নয়৷

Advertisement
---