শান্তি ফেরাতে তালিবানের মুখোমুখি হচ্ছে আমেরিকা

কাবুল: তালিবানের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনা চায় আমেরিকা৷ আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে আফগান প্রশাসন ও তালিবানের সম্মতিতেই আলোচনায় প্রস্তুত ওয়াশিংটন৷ মঙ্গলবার ঘোষণা করল ওয়াশিংটন ডিসি৷ ১৭ বছরে আফগান-তালিবান যুদ্ধ বন্ধ করতে আমেরিকা-আফগানিস্তান-তালিবান বৈঠক প্রয়োজন বলে মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন৷

সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আফগান প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি নয় তালিবান৷ যা আগেই তালিবানের তরফে জানানো হয়েছে৷ পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় আপত্তি জানায়নি জঙ্গি সংগঠন৷ বিষয়টিকে নজরে রেখেই পরিকল্পিত ভাবেই মাঠে নামতে চাইছেন আমেরিকা৷ তবে, বারবারই বৈঠকে আফগানিস্তান-তালিবানের সম্মতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন৷ অবশ্য, তালিবান সূত্রে খবর, এখনও আমেরিকা কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেনি৷ কাতারে এক তালিবান নেতা অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে জানায়, এখনও তালিবান হেড কোয়ার্টারে আমেরিকার তরফে কোনও বার্তা আসেনি৷ সংবাদমাধ্যম থেকে আমেরিকার ইচ্ছের কথা জানতে পেরেছে তালিবান৷

আমেরিকা চাইলেও বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে আদৌ কি বৈঠকের জন্য রাজি হবে তালিবান? প্রশ্ন উঠছে তালিবান আধিকারিকের কথাতেই৷ অ্যাসোসিয়েট প্রেসের সাংবাদিককে দেওয়া তথ্যে আধিকারিক জানায়, আমেরিকা ইচ্ছে প্রকাশ করলেও তা গ্রাহ্য করবে তালিবান হেডকোয়ার্টার৷ বৈঠকের আগে আমেরিকার কাছে কাতারে অফিস খোলার দাবি জানাবে তালিবান৷ রাজি হোলেও ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হবে৷ এই পরিস্থিতিতে আদৌ বৈঠক হবে কি না তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে৷

- Advertisement -

ওয়াশিংটন ডিসি সূত্রে খবর, আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে চায় আমেরিকা৷ তার জন্য তালিবানের সঙ্গে বৈঠক করতেও রাজি৷ তবে, শান্তি স্থাপনে উদ্যোগী হতে হবে আফাগানিস্তান-তালিবানকে৷ তাদের সম্মতিতেই শান্তি বৈঠক হবে৷ গত বছরের অগাস্ট মাসে আফগানিস্তানকে সামরিক খাতে বিনিয়োগ করে আমেরিকা৷ সেই সময়ও তালিবানের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ছিল আমেরিকার৷ যা সফল হয়নি৷

২০০১ সালে আফগানিস্তানে আমেরিকার ১৫ হাজার সেনা ছিল৷ বর্তমানে ফের আমেরিকায় ন্যাটো বাহিনী ঘাঁটি করেছে আফগানিস্তানের সাহায্যেই৷ রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে, আফগানিস্তানের নাগরিক মৃত্যু রেকর্ড ছুঁয়েছে৷ তারপরই শান্তি স্থাপনে তৎপর হয় আমেরিকা৷

Advertisement
---