নয়াদিল্লি:স্বাধীনতা দিবসে লালাকেল্লা কী আদৌ আলোকিত হয়? ভেবে দেখা হয়নি এতদিন৷ নজরেই আসেনি গর্বের ‘রেড ফোর্ট’স্বাধীনতা দিবসে আসলে ফিকেই থেকে যায়৷ এবার উদ্যোগ নিল প্রশাসন৷ স্বাধীনতা দিবসের কয়েকদিন আগে থেকেই আলোময় লালকেল্লা৷ শুক্রবার থেকে প্রথমবার আলোক সজ্জায় লাল দূর্গ৷

মোট ২৫০০ বাতি জ্বলছে লাল কেল্লা জুড়ে৷ বিশেষ করে কেল্লার দুই মূল ফটক লাহোরি গেট ও দিল্লি গেটের আলোকসজ্জার উপর নজর দেওয়া হচ্ছে৷ নানা রঙের আলো দিয়ে সেজে উঠছে ফটক দুটি৷ ঐতিহাসিক প্রাচীনত্বকে সামনে রেখে লাল কেল্লা সহ ১০০ ঐতিহাসিক স্তম্ভকে ‘আদর্শ স্মারক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ প্রত্যেকটি স্তম্ভে আলো জ্বালানোর কাজ শুরু হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই লালকেল্লা আলোকিত৷’element illumination’- অর্থাৎ ‘আলোর উৎস’ নামে আলোকসজ্জার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ দিল্লির ১০০ টি ঐতিহাসিক স্তম্ভ স্বাধীনতা দিবসের কয়েকদিন আগে থেকেই আলোকিত হবে৷ জানান দেবে ক্রমবিবর্তিত ইতিহাসের৷ যা দিল্লির একান্ত গর্বের৷ দিল্লির তথ্য ও সাংস্কৃতির মন্ত্রী জানাচ্ছেন, বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লালকেল্লা আলোকিত করার পদক্ষেপ করা হয়েছে৷ শুধু দিল্লি নয়,পর্যটন টানতেও এটি ভালো উদ্যোগ৷

Advertisement

আলোকসজ্জার দায়িত্বে The National Buildings Construction Corporation (NBCC)৷ ঐতিহাসিক স্তম্ভগুলির গোটা চত্ত্বর, পাঁচিল, সদর দরজার সৌন্দর্যে নজর কারতে বিশেষ আলো বসানো হচ্ছে৷ এলইডি লাইট দিয়ে আলোকসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে৷ তবে, লালকেল্লার আলোকসজ্জার কাজ শেষ হোলেও ১০০ স্তম্ভের কাজ এখনও বাকি৷ স্বাধীনতা দিবসের আগে কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ারই সম্ভাবনা৷ গোটা প্রকল্পের সময়সীমা ২ মাস৷, খরচ ৩ কোটি৷

শুক্রবার থেকে সূর্যাস্তের পরই আড়াই হাজার বাতিতে আলোকিত হচ্ছে লালকেল্লা৷ প্রতিদিন সন্ধে সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত দিল্লির বুকে তেরঙা উড়িয়ে আলোকিত হয়ে থাকছে সপ্তদশ শতকের এই মুঘল স্তম্ভ৷

----
--