অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

বেঙ্গালুরু: ফাইনালের স্টেজ রিহার্সালে হারতে হলেও খেতাবি লড়াইয়ে কোনও ভুল করল না মণীশ পান্ডের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ‘বি’ দল৷ চিন্নাস্বামীতে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলকে ৯ উইকেটে পরাজিত করে চারদলীয় ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্ডিয়া ‘বি’৷

আরও পড়ুন: নভেম্বরের শেষে বিসিসিআই নির্বাচন

ফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল ৪৭.৫ ওভারে ২২৫ রানে অলআউট হয়ে যায়৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৬.৩ ওভারে ১ উইকেটের বিনিময়ে ২৩০ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারতীয় ‘বি’ দল৷

- Advertisement -

অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্নায়ক ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ১২৪ রানে পরাজিত করে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ‘এ’ দল৷

আরও পড়ুন: জন্মদিনে গুগল ডুডলে স্যার ডন ব্র্যাডম্যান

বৃষ্টিবিঘ্নিত টুর্নামেন্টের লিগ পর্যায়ে দু’টি করে ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল ও ভারতীয় ‘বি’ দল৷ টুর্নামেন্টের অপর দু’টি দল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ ও ভারতীয় ‘এ’ দল একটি করে ম্যাচ জিতে তৃতীয় স্থান নির্নায়র ম্যাচে মুখোমুখি হয়৷

কাকতলীয়ভাবে লিগের শেষ রাউন্ডে দু’টি ম্যাচ হয়েছিল একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এবং সেখানে ফলাফল ছিল যথাক্রমে অজি ও প্রোটিয়াদের অনুকূলে৷ অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল লিগের শেষ ম্যাচে পরাজিত করেছিল ভারতীয় ‘বি’ দলকে৷ দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল হারিয়ে দিয়েছিল ইন্ডিয়া ‘এ’কে৷ সুতরাং লিগের শেষ রাউন্ডের রি-ম্যাচ দেখা যায় ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্নায়ক ম্যাচে৷

আরও পড়ুন: প্রিমিয়র লিগে মজে টিম ইন্ডিয়া

ফাইনালে অজি ব্যাটিং লাইনআপকে ভাঙার দায়িত্ব ভাগ করে নেন শ্রেয়স গোপাল, সিদ্ধার্থ কউল, নভদীপ সাইনি ও দীপক হুডা৷ গোপাল ৫০ রানের বিনিময়ে তিনটি উইকেট নেন৷ সিদ্ধার্থ, সাইনি ও হুডা নেন দু’টি করে উইকেট৷ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন ডার্সি শর্ট৷ এছাড়া ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন অ্যালেক্স ক্যারি৷

পাল্টা ব্যাট করতে নেমে মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৬৭ বলে ৬৯ রান করে আউট হন৷ ব্যক্তিগত ১৩ রানে চোট পেয়ে অবসৃত হন ইশান কিষাণ৷ শুভমন গিল ৬৬ ও মণীশ পান্ডে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ ম্যাচের সেরা হয়েছেন মণীশ৷

আরও পড়ুন: কৃপণতম বোলিং করে ইতিহাসে ইরফান

তৃতীয় স্থান নির্নায়ক ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারতীয় ‘এ’ দল ৭ উইকেটে ২৭৫ রান তোলে৷ শ্রেয়স ৬৭ ও রায়াড়ু ৬৬ রান করেন৷ জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয়ে যায় ১৫১ রানে৷ চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা ভুবনেশ্বর কুমার ৩৩ রানে ৩টি উইকেট নেন৷ দু’টি করে উইকেট চাহার ও মার্কান্ডের৷ খলিল ও ক্রুণাল পান্ডিয়া নিয়েছেন একটি করে উইকেট৷

Advertisement
-----