স্বাস্থ্য সচেতনতায় নজির গড়ছে ভারত, জানাল রির্পোট

নয়াদিল্লি: ভারতের স্কুলগুলিতে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে স্বাস্থ্য সচেতনতা৷ সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এল রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোরর্টে৷ তথ্য জানাচ্ছে, স্কুলে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি শিক্ষার প্রাথমিক পরিবেশকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে৷ অনেক সময়ই ছাত্রীরা পিরিয়ডসের জন্য স্কুলে যেতে পারেন না৷ কারণ, স্কুলে সঠিক ব্যবস্থা নেই৷ বিশেষত অস্বস্তিতে পড়ার ভয়ই তাদের স্কুলে না যাওয়ার অন্য কারণ৷ কিন্তু, সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে এগোচ্ছে ভারত৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনস্থ ইউএনের শিশু তহবিল জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রাম (জেএমপি) বিষয়টি নিয়ে একটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করে৷ ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পানীয় জল, পরিচ্ছন্নতা এবং স্যানিটেশনের বিষয়টিকে নজরে রেখেছে সংস্থাটি৷ সংস্থার তথ্য জানাচ্ছে, ভারত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লক্ষ্যভেদ করতে চলেছে৷ একটি স্যানিটেশন, পানীয় জল এবং অন্যটি শিক্ষা৷ রির্পোট জানাচ্ছে, ‘স্কুলগুলিতে স্যানিটেশনের সুবিধাগুলি খুব দ্রুতগতিতে কার্যকর করা হচ্ছে’৷

পড়ুন:রোহিঙ্গা গণহত্যা: সেনাপ্রধানের বিচার হবে, জানাল রাষ্ট্রসংঘ

- Advertisement -

জেএমপির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ভারতের প্রত্যেকটি স্কুলেই স্যানিটেশন সুবিধার বন্দোবস্ত করা হয়েছে৷ কিন্তু, বছর দশ আগে স্কুলগুলির ছবি ছিল একেবারে অন্যরকমের৷ অর্ধেকের বেশি স্কুলগুলিতে ছিল না কোন স্যানিটেশনের সুবিধা৷ শুধুমাত্র স্যানিটেশনের ক্ষেত্রেই নয়, বদল এসেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও৷

২০০০-২০১৬ সালের মধ্যে স্কুলে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫২ মিলিয়ন থেকে ৩৭৮ মিলিয়নে৷ ২০১৫ সালে পিরিয়ডসের স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়মবলী ইস্যু করেছে ভারত সরকার৷ কিন্তু ২০১৬-১৭ সালের একটি সমীক্ষা অনুসারে, ভারতের স্কুলগুলির মাত্র দুই তৃতীয়াংশ স্কুলে মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন এডুকেশন বিষয়টিত নিয়ে চর্চা করা হয়েছে৷

রির্পোটটি আরও জানাচ্ছে, কয়েক মিলিয়ন শিক্ষার্থী প্রাথমিক পরিচ্ছন্নতার সুবিধা ছাড়াই স্কুলে যাচ্ছে৷ তাই, বদল আনার বিষয়টি একটি চ্যালেঞ্জের সমান৷ বিশ্বব্যাপী ৩০ শতাংশের বেশী স্কুলে পানীয় জলের সরবরাহ নেই৷ তাছাড়া,বেশীরভাগ স্কুলেরই নেই শৌচালয়৷ ভারতে আরও উন্নত করে তুলতে স্কুলগুলির পরিচ্ছন্নতা সহ একাধিক বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ তবে, লক্ষ্য পৌঁছনো সহজ কাজ নয়৷

Advertisement ---
-----