ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : ভারত উন্নয়নের জোয়ারে সওয়ার৷ দেশ এখন বিশ্বের গতিশীল অর্থনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে অন্যতম৷ শুক্রবার নীতি আয়োগের গ্লোবাল মোবিলিটি সামিট ‘মুভ’-এ যোগ দিয়ে একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

তিনি আরও বলেন দেশের অর্থনৈতিক প্রগতিতে এগিয়ে এসেছেন দেশের যুব সম্প্রদায়৷ শিল্পের উদ্যোগে ভারতই সবার আগে এগিয়ে এসেছে৷ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে পিছনে ফেলে অন্যতম দ্রুতগতির অর্থনীতির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ভারত৷ দেশকে চালিত করছে নতুন শক্তি, নতুন উদ্দ্যেশ্য ও নতুন নতুন প্রয়োজন৷ ফলে এক উদ্ভাবনী তাগিদ গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে৷

কেন্দ্র সরকার এই নতুন প্রজন্মের সাথে রয়েছে বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি বলেন শহরের মানোন্নয়ন ঘটেছে৷ গ্রামগুলির জীবন যাত্রার মান বদলেছে৷ ১০০টি নতুন স্মার্ট সিটি তৈরি করা হচ্ছে দেশ জুড়ে৷ শিল্পের জন্য ভারত এক অন্যতম সহায়ক স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে৷

এই সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি দেশে বিপ্লব এনেছে৷ শিল্প সহায়ক পরিবেশ গড়ে উঠেছে এর জেরে৷ ফলে যুব সম্প্রদায় উৎসাহের সঙ্গে নতুন নতুন শিল্পভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসছে৷ যা দেশের অর্থনীতিকে অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিচ্ছে৷ এতেই গতি পাচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি৷ শুধু দেশের যুব সম্প্রদায়ই নয়, দেশের বিভিন্ন শিল্পপতিদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী৷ যাতে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের পথ খুলতে পারে৷

প্রধানমন্ত্রীর দাবি ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই আগের চেয়ে গতিশীল হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা, কর্মসংস্থান তৈরিতে অধিক প্রাধান্য, দুর্নীতি উচ্ছেদ ও দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে তাঁর সরকার৷

এর আগে, ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড বা আইএমএফ এক রিপোর্ট পেশ করে জানায়, ভারত ২০১৮ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতলয়ে বেড়ে চলা অর্থনীতির দেশ হবে। এবছর বৃদ্ধির হার থাকবে ৭.৪ শতাংশ। এবং ২০১৯ সালে তা বাড়বে ৭.৮ শতাংশ হারে। আগামিদিনে এশিয়ার অর্থনীতি সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়তে চলেছে। আর তাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে চিন ও ভারতের। আইএমএফ বলছে, আগামী দুই বছরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি যেমন তরান্বিত হবে, তেমনই চিনের বৃদ্ধি কিছুটা কমে আসবে।

----
--