ভয়ঙ্কর! চাহিদার তুলনায় সেনাবাহিনীকে ১.২১ লক্ষ কোটি কম দিয়েছে মোদী সরকার

নয়াদিল্লি: ফের একবার প্রকাশ্যে এল প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ভারতের প্রতিরক্ষায় যে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি, সেকথা কিছুদিন আগেই সামনে এনেছিলেন খোদ আর্মি ভাইস চিফ। এবার জানা গেল, চাহিদার তুলনায় ১.২১ লক্ষ কোটি টাকা কম দেওয়া হয়েছে সামরিক বাহিনীকে। তিন বাহিনীকে চাহিদার তুলনায় অর্থ কম বরাদ্দ করা হয়েছে বলে লোকসভায় জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুভাষ ভামরে।

নতুন অস্ত্র, এয়ারক্রাফট, জাহাজ ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য এই অর্থ চাওয়া হয়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে মোট ১.৬০ লক্ষ কোটি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্র সামরিক বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করেছে ৮৩,৪৩৪ কোটি টাকা। এছাড়া বেতন ও অন্যান্য খরচের জন্য চাহিদার তুলনায় ৩৫,৩৭১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আর্মি, নেভি ও এয়ার ফোর্স তিন বাহিনীকে মোট ১.২১ লক্ষ কোটি টাকা কম দিয়েছে কেন্দ্র।

একদিকে যখন, চিন-পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে লড়াই করতে চাইছে ভারতীয় সেনা, তার মধ্যে এই কম বরাদ্দ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ অস্ত্র কেনার টাকায় খামতি থাকায় মোটেই খুশি নয় সেনাবাহিনী।

- Advertisement -

কিছুদিন আগেই পার্লামেন্টারি প্যানেলে আর্মি ভাইস চিফ লেফট্যানেন্ট জেনারেল শরথ চাঁদ অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন যে শত্রুদের টেক্কা দেওয়ার জন্য অস্ত্র কিনতে যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ হয়নি। অন্যদিকে, চিন সামরিক বাহিনীতে বরাদ্দ ক্রমশই বাড়াচ্ছে। তার মুখে আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে ভারত।

সুভাষ ভামরে জানান, আর্মি যা চেয়েছিল দুটি ক্ষেত্রে সেই তুলনায় ১৭,৭৫৬ কোটি ও ২৪,৭৫৫ কোটি কম দেওয়া হয়েছে। নেভিতে ১৭,০৮৪ কোটি টাকা কম দেওয়া হয়েছে। আর বায়ুসেনাকে ৪১,৯২৪ কোটি টাকা কম দেওয়া হয়েছে।

আর্মি ভাইস চিফ আরও জানিয়েছিলেন যে, ভারতীয় সেনার ৬৮ শতাংশ অস্ত্রই পুরনো ও কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। ফলে কম অর্থের জেরে আগামিদিনে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অস্ত্রের খরচ যোগানোও সম্ভব না হতে পারে। যদিও পরে সেনাপ্রধান জানান যে যা অস্ত্র রয়েছে তাতেই লড়াই করতে পারবে সেনাবাহিনী।

Advertisement ---
---
-----