পুনে: সামনে এল ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক সম্পর্কে এক নতুন তথ্য। ওই গোপন অভিযানে চিতার মূত্র ব্যবহার করেছিল সেনাবাহিনী। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন নাগ্রতা করপস এর প্রাক্তন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল রাজেন্দ্র নিমবরকার।

এক অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, কুকুরের চিৎকার থামাতে তাদের মুখে চিতার মূত্র ছুড়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। ২০১৬ তে পাক সীমান্তের ১৫ কিলোমিটার ভিতর ঢুকে এক গোপন অভিযানে পাক সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নামে পরিচিত।

বাজিরাও পেশোয়ে প্রতিষ্ঠানে এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল এই প্রাক্তন সেনা কর্তাকে। সম্বর্ধনা দেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনোহর জোশী। সেই অনুষ্ঠানেই একথা বলেন নিমবরকার। ওই অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য এদিন ওই সেনা অফিসারকে সম্মান জানানো হয়।

পড়ুন: ‘বিপদের মুখে দেশ, রাফায়েলেই জবাব দেবে ভারতীয় বায়ুসেনা’

নওশেরা সেক্টরে ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন নিমবরকার। যে এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল প্রথমে সেখানকার প্রাণীদের উপস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। দেখা যায়, ওই এলাকায় বারবার কুকুরের উপর আক্রমন চালায় কত। তাই সিতার হাটপথেকে বাঁচতে লোকালয়ে থাকতেই পছন্দ করে কুকুরেরা। ফলে ভারতীয় সেনাব সেখানে প্রবেশ করলে, সেনা জওয়ানদের দেখে কুকুর চিৎকার করার সম্ভাবনা ছিল। তাই আগে থেকে চিতার মূত্র রেখেছিল সেনাবাহিনী। কুকুর দেখেই তাদের গায়ে ছিটিয়ে দেওয়া হয় সে মূত্র। আর তাতেই ভয় পেয়ে পালায় কুকুর। ফলে সেনার পথ পরিষ্কার হয়ে যায়।

এই অভিযানের সেনাবাহিনী চরম গোপনীয়তা বজায় রেকগেছিল বলেও জানান তিনি। তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিককর গোপনে ওই অভিযান চালানো নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে অভিযানের কথা জানানো হলেও কোথায় অভিযান হবে সেটা জানানো হয়েছিল একেবারে শেষ মুহূর্তে।

নিমবরকার বলেন, ভোর সাড়ে ৩টে কেই সঠিক সময় বলে মনে করেন তাঁরা। তাই ওই সময় অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সীমান্ত পেরিয়ে অভিযানে ২৯ জন জঙ্গিকে খতম করে সেনাবাহিনী

----
--