রাজস্থান:  শত্রুপক্ষের উপর পরমাণু হামলা এবং তা যথাযথভাবে মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। গত একমাসেরও বেশি সমইয় ধরে রাজস্থানের মরু এলাকায় ভারতীয় সেনা বিশেষ মহড়া চালাচ্ছে। এই মহড়ার নাম ‘শত্রুজিত্‍’। পাকিস্তান এবং চিনকে চাপে রাখতে ভারতীয় সেনার এটাই সবচেয়ে বড় মহড়া বলে মনে জানাচ্ছেন সেনা আধিকারিকরা। সেখানে একেবারে পরমাণু হামলার জন্যে ঘুঁটি সাজিয়ে চলছে মহড়া।

শত্রুকে স্তম্ভিত করে ‘শত্রুজিৎ’য়ে বিশাল শক্তিপ্রদর্শন ভারতের

Advertisement

ভারতেরও ভূমি, জল ও অন্তরীক্ষে পরমাণু আক্রমণ চালানোর শক্তি রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের রিপোর্টে জঙ্গিদের পরমাণু অস্ত্র চুরি করার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। পাকিস্তানে এমনিতেই জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত। সম্প্রতি আমেরিকার একটি রিপোর্টেও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সব পরমাণু ক্ষেপনাস্ত্রই নাকি ভারতীয় সীমান্তে মোতায়েন রাখা হয়েছে। শুধু সেগুলি মোতায়েন রাখা নয়, পুরোটাই রয়েছে টার্গেটে ভারতের। সেজন্যই এই মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যদি পরমাণু হামলার মতো ঘটনা ঘটে তাহলে তার মুখের মতো জবাব দিতে সক্ষম ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনার শক্তি পরীক্ষার জন্যই ‘শত্রুজিত্‍’ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার ২৩ এপ্রিল এই মহড়ার শেষদিন। মহড়ায় উপস্থিত রয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল দলবীর সিংহ সুহাগ।

আরও শক্তিশালী মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট তৈরির পথে ভারত!

ইনফ্যান্ট্রি ছাড়াও সশস্ত্র ব্রিগেডের প্রায় ১২০ টি ট্যাঙ্ক, আর্টিলারি এবং স্ট্র্যাটেজিক হাতিয়ার সহ মিসাইল রেজিমেন্টও এই মহড়ায় সামিল। পরমাণু হামলার মতো পরিস্থিতিতে জওয়ানরা বিশেষ এক ধরনের পোশাক পরবেন, যাতে পরমাণু তেজষ্ক্রিয় বিকিরণের কোনও প্রভাব পড়বে না। রাজস্থানের তীব্র গরমে স্ট্রাইক কোর ওয়ানকে এই মহড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মথুরার স্ট্রাইক কোরের প্রায় ৩০ হাজার সেনা দক্ষিণ-পশ্চিম কমান্ডের নেতৃত্বে বর্তমানে বিকানেরের কাছে এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছেনপরমাণু হামলার মতো পরিস্থিতিতে জওয়ানরা যে পোশাক পরবেন তা সিবিআরএন অর্থাত্ কেমিক্যাল, বায়োলজিক্যাল, রেডিওলজিক্যাল এবং নিউক্লিয়ার রেডিয়েশানের বিপদ মোকাবিলায় সক্ষম। ট্যাঙ্ক ও কামান এমনভাবে প্রস্তুত রয়েছে যাতে পরমাণু হামলা আটকানোর পাশাপাশি শক্রর ওপর পাল্টা আঘাত হানা যায়।

পড়ুন আরও-  পাকিস্তানকে নিশানায় রেখে মরু-সীমান্তে শুরু যুদ্ধ মহড়া

----
--