নয়া ভার্সান ‘ব্রহ্মোস লাইটে’ এবার শত্রুকে খতম করবে ভারতীয় বায়ুসেনা

নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগেই ‘ব্রহ্মোস’ মিসাইলের সফল পরীক্ষা করেছে ভারত। এবার আরও দ্রুত শত্রুপক্ষের দিকে মিসাইল ছুঁড়ে দিতে ভারতের হাতে আসছে অপেক্ষাকৃত হালকা ওজনের ‘ব্রহ্মোস লাইট’। এটি হালকা হওয়ায় তেজস থেকে আরও সহজে ছোঁড়া যাবে এটি। ইতিমধ্যেই নয়া এই ভার্সানের মিসাইল তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

ব্রহ্মোসের এই নতুন ভার্সানের অপেক্ষাকৃত ছোট ইঞ্জিন থাকবে। মিসাইলের ওয়ারহেড একই থাকবে, কিন্তু মিসাইলের ওজন হবে অনেক কম। হালকা ওজনের মিসাইলের রেঞ্জ হবে ৩০০ কিলোমিটার। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, বর্তমানে ডিজাইনের পর্যায়ে রয়েছে এই মিসাইল। ২০১৯-এর মধ্যে এটি তৈরি হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু সুখোই-৩০ এর থেকে তেজস অপেক্ষাকৃত হালকা যুদ্ধবিমান, তাই এর জন্য হালকা মিসাইল প্রয়োজন। অদূর ভবিষ্যতে ভারতের হাতে আসতে চলেছে ১২০টিরও বেশি তেজস এয়ারক্রাফট।

কিছুদিন আগেই বিশ্বের দ্রুততম এই মিসাইল আর অত্যাধুনিক সুখোই-এর সাফল্যে বিশ্ব রেকর্ড করেছে ভারত। শত্রুপক্ষের উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাতে আরও বেশি করে প্রস্তুত হল ভারত। ডিআরডিও ও বায়ুসেনার এই সাফল্যকে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

- Advertisement -

সুখোই 30MKI ফাইটার জেটের রেঞ্জ ৩২০০ কিলোমিটার। এই পরীক্ষায় সাফল্যের জেরে ভারত এবার জল, স্থল এবং আকাশ তিন জায়গা থেকেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করতে সমর্থ হল। ভারতে, এমনকি বিশ্বের মধ্যে প্রথমবার সুখোই বিমান থেকে ব্রহ্মোস উৎক্ষেপণ করা হয়। বঙ্গোপসাগরে টার্গেট করে মিসাইলটি উৎক্ষেপণ করা হয়। শব্দের থেকে তিনগুণ বেশি গতিতে গিয়ে সমুদ্রে পড়ে এটি। এর ফলে যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার জন্য আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠল ভারতীয় বায়ুসেনা।

Advertisement
-----